এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যকার যুদ্ধ। গত ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ভূখণ্ড গাজাতে নির্বিচারে বোমা হামলা ও হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী।
চলমান যুদ্ধের জন্য হামাস ও ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) উভয়কেই যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনারের দপ্তর। খবর বিবিসি।
পাঁচ দিনের সফরে গাজা ও মিসরের মধ্যবর্তী রাফাহ ক্রসিংয়ের মিশরীয় দিক পরিদর্শন করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক। এ সময় তিনি চলমান সংঘাতে দুই পক্ষই যুদ্ধাপরাধ করেছে বলে অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, ‘গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী যে সহিংসতা চালিয়েছে তা ছিল নিষ্ঠুর এবং জঘন্য, তারা যুদ্ধাপরাধ করেছে। কারণ, তারা এখনও শতাধিক জিম্মিকে আটকে রেখেছে।’
তুর্ক আরও বলেন, “একইভাবে হামাসের হামলার জবাবে ইসরায়েলি বাহিনী গত এক মাস ধরে গাজায় বোমা হামলা ও সাধারণ ফিলিস্তিনিদের বেআইনিভাবে জোরপূর্বক স্থানান্তরের মাধ্যমে যে অসহনীয় শাস্তি দিচ্ছে, তা ও যুদ্ধাপরাধের সমান।“
গত ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় ইসরায়েলে নিহত হয়েছেন ১ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি ইসরায়েলি ও অন্যান্য দেশের নাগরিক। এছাড়া হামলার প্রথম দিনই ইসরায়েল থেকে অন্তত আড়াইশ জনকে জিম্মি হিসেবে গাজায় ধরে নিয়ে গেছে হামাস।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর হামলা ও অভিযানে গাজায় নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে সাড়ে ১০ হাজার। এদের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি শিশু ও নারী।