অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায় মহিলা পরিষদ

আপডেট : ১৫ নভেম্বর ২০২৩, ০৫:১৬ এএম

গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিতের পক্ষে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। সংগঠনের নেতারা বলেছেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর পরস্পরবিরোধী অবস্থান সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশকে জটিল ও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে, যা পূর্ববর্তী সময়ের তিক্ত অভিজ্ঞতাকে তুলে ধরছে।’

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা তাদের এই অবস্থান জানান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন সংগঠনের আন্দোলন সম্পাদক রাবেয়া খাতুন। সংবাদ সম্মেলনটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের অ্যাডভোকেসি ও লবি পরিচালক জনা গোস্বামী। ‘বর্তমান পরিস্থিতি, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন’ বিষয়ক সংবাদ সম্মেলন থেকে নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোকে নারীর অধিকার বিষয়ে আরও মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সরাসরি নির্বাচনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন মহিলা পরিষদের নেতারা। এ ছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে নারীর আসনসংখ্যা বাড়ানো, নির্বাচনী এলাকা পুনর্নির্ধারণ এবং বেশি সংখ্যক নারীকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবায়ন চায় মহিলা পরিষদ।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ফওজিয়া মোসলেম বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলার অভাব, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নারীর জীবনে নেতিবাচক চাপ সৃষ্টি করছে। নারীদের প্রতি রাজনৈতিক দলগুলোর মনোযোগের অভাব রয়েছে। অধিকার, মর্যাদা ও কাজ করার সুযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে নারীকে সমতার জায়গায় নিয়ে আসতে হবে। নির্বাচনে এই বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য হতে হবে।’

মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু বলেন, ‘নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে একটি একক ও স্বাধীন মন্ত্রণালয় হিসেবে কাজ করতে হবে, এ দাবি মহিলা পরিষদের দীর্ঘদিনের।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত