হালাল উপার্জন ও হারাম বর্জন

আপডেট : ২০ নভেম্বর ২০২৩, ০৪:০০ পিএম

হালাল আরবি শব্দ, অর্থ বৈধ, বিধিসম্মত, ন্যায্য, পবিত্র প্রভৃতি। এর বিপরীত হারাম। পারিভাষিক অর্থ যা শরিয়ত কর্তৃক অনুমোদিত বা বৈধ তাকে হালাল বলে। ইসলামি শরিয়ত কর্র্তৃক অনুমোদিত পন্থায় আয়-রোজগার করাকে হালাল উপার্জন বলে। হালাল উপার্জনের গুরুত্ব দিয়ে মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে মানবমণ্ডলী, পৃথিবীর হালাল ও পবিত্র বস্তুসামগ্রী ভক্ষণ করো। আর শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ কোরো না। নিঃসন্দেহে সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।’ হাদিসের বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, হালাল খাদ্য ভক্ষণ, উপার্জন সবই ফরজ। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ আরও বলেন, ‘অতঃপর যখন নামাজ শেষ হয় তখন তোমরা জমিনে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহর অনুগ্রহ (রিজিক) অন্বেষণ করো।’

যেসব উপার্জন হালাল নয়

হালাল উপার্জন ইবাদত কবুল হওয়ার পূর্বশর্ত। নিম্নে হারাম উপার্জনের কিছু দৃষ্টান্ত তুলে ধরা হলো-

ঘুষ দেওয়া-নেওয়া : ঘুষের রাজত্ব দেশের সর্বত্র আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। বকশিশ হলো- ঘুষের প্রথম ধাপ। আল্লাহর রাসুল (সা.) লানত করেছেন ঘুষ প্রদানকারী ও গ্রহণকারী উভয় পক্ষকেই।

বিস্তারিত পড়ুন এখানে

শিক্ষকতা পেশার আয়-উপার্জন

নিজ হাতে উপার্জিত হালাল রিজিক সর্বোত্তম রিজিক। হজরত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘আল্লাহর নবী দাউদ (আ.) নিজ হাতের উপার্জন থেকেই ভক্ষণ করতেন।’ -সহিহ বোখারি : ১৯৬৬

নিজের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ছাড়া প্রত্যেক শ্রমজীবীই শ্রমের বিনিময়ে রিজিক উপার্জন করে, চাই সেটি সরকারি হোক কিংবা বেসরকারি। একজন শ্রমিককে তার শ্রম বিনিময়ের আগে মালিকপক্ষ শ্রমের ধরন, সময় ঠিকঠাক করে তার সম্মতিতে শ্রমের মূল্য নির্ধারণ করে থাকে। সুতরাং কেউ যদি স্বেচ্ছায় তার শ্রমের ৪০-৫০ শতাংশ শ্রম বিনিয়োগ করে শতভাগ পারিশ্রমিক নেয় তাহলে এখানে তার কতটুকু আয় অবৈধ তা সহজে হিসাবযোগ্য।

বিস্তারিত পড়ুন এখানে

চিকিৎসাসেবায় সওয়াব ও পাপ

চিকিৎসাসেবা একটি মহান পেশা। এ পেশায় টাকাও হয় আবার নিয়তগুণে সওয়াবও হয়। যারা সরকারি ডাক্তার তাদের এ পেশায় অবৈধ উপার্জন হতে পারে এভাবে-

 সরকারি হাসপাতালে ডিউটিরত অবস্থায় রোগী দেখে পয়সা নেওয়া।

 দায়িত্বরত অবস্থায় দেরিতে চেম্বারে আসা ও আগে চলে যাওয়া।

 হাসপাতালে এসে একজন আরেকজনের রুমে বসে অহেতুক গল্প-গুজব করে সময় নষ্ট করা। পরে এসে তাড়াহুড়ো করে (হক আদায় না করে) রোগী দেখা।

বিস্তারিত পড়ুন এখানে

হারাম থেকে বাঁচার লাভ

হারাম রিজিক সম্পর্কে নবী কারিম (সা.) বলেন, ‘যে দেহের গোশত হারাম খাদ্য দিয়ে গঠিত হয়েছে তা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। যেসব গোশত হারাম থেকে গঠিত হয় তার জন্য দোজখই শ্রেষ্ঠ স্থান।’ -মুসনাদে আহমদ : ১৪৪৪১

বিস্তারিত পড়ুন এখানে

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত