লিমায় ২০২৬ বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের ম্যাচে মুখোমুখি হয়ে স্বাগতিক পেরুর সঙ্গে ১-১ গোলে ম্যাচ ড্র করে ভেনেজুয়েলা। তবে তারপরেই ঘটে অনাকাঙ্খিত এক ঘটনা। ভেনেজুয়েলা সরকারের পক্ষ থেকে পেরুর বিরুদ্ধে কূটনৈতিক অভিযোগ তোলা হয়। যেখানে বলা হয়, ভেনেজুয়েলার জাতীয় দলের ফুটবলারদের `পুলিশি মারধর’ ও `অপহরণে’র চেষ্টা করা হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপির বরাতে এ তথ্য জানা যায়।
ভেনেজুয়েলার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভান গিল জানান, ‘ভেনেজুয়েলার বিমানে তেল ভরার কাজ বন্ধ করে দিয়ে আমাদের নাগরিকদের বিরুদ্ধে আরেকটি স্বেচ্ছাচারিতামূলক কাজ করেছে পেরু।’ লিমায় দারুণ ম্যাচ খেলার কারণে প্রতিশোধ হিসেবে এ কাজ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
লিমায় জর্জ শ্যাভেজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিচালনাকারী সংস্থা জানিয়েছে, ফুয়েল সাপ্লাই সংক্রান্ত প্রশাসনিক কারণে এই বিলম্ব হয়েছে। তবে গিল নিশ্চিত করেছেন যে পেরুর সরকার জ্বালানি সরবরাহের নির্দেশ দেওয়ার পরে দলটি কারাকাসে নিরাপদে ফিরে আসার পরিকল্পনা করে।
ভেনেজুয়েলার খেলোয়াড়রা ম্যাচশেষে সমর্থকদের শুভেচ্ছা জানাতে যাওয়ার সময় পেরুর পুলিশ তাদের মারধর করে বলে অভিযোগ ওঠে। ভেনেজুয়েলার ফুটবলার নাহুয়েল ফেরারেসি বলেন, ‘এমন কিছু হওয়া উচিত নয়। ম্যাচ শেষ হয়ে গিয়েছিল এবং আমরা ভেনেজুয়েলার সমর্থকদের ধন্যবাদ জানাতে গিয়েছিলাম। আমার জার্সি দর্শকদের দিকে ছুড়ে দিতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়।’
ফেরারেসি আরও বলেন, ‘পুলিশ আমাদের আঘাত করার জন্য তাদের লাঠি বের করে। ওরা দু'বার আমাকে মেরেছে, কিন্তু এটা কোনও গুরুতর আঘাত নয়।’ এই ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে পেরুর পুলিশ কর্মকর্তারা খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জ করছেন।
এই ম্যাচে ড্র করায় বাছাইপর্বের শেষ স্থানেই রয়ে গেছে পেরু। আর কখনো বিশ্বকাপ না খেলা ভেনেজুয়েলা আছে টেবিলের চতুর্থ স্থানে।
