কসবায় আইনমন্ত্রী

জনগণ যদি ভোট দেয় কে নির্বাচনে এলো না সেটা বড় নয়

আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০২৩, ০২:১৭ এএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) নির্বাচনী এলাকায় আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আইনমন্ত্রী আনিসুল হক গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহারিয়ার মুক্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে বিএনপি নির্বাচনে না এলে এই নির্বাচন সফল হবে কি না সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘নির্বাচন হয় জনগণের পার্টিসিপেশনে। জনগণ যদি ভোট দেয় তাহলে কে নির্বাচনে এলো আর কে নির্বাচনে এলো না সেটা বড় কথা থাকে না। সে ক্ষেত্রে আপনারা জনগণের উচ্ছ্বাস, জনগণের আনন্দ এবং এ নির্বাচনের জন্য জনগণের যে ইচ্ছা সেটা দেখতে পাচ্ছেন। এ কারণে আমি মনে করি এ নির্বাচন সফল হবে।’

মন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘বিগত ১০ বছর আমি এ এলাকার সংসদ সদস্য ছিলাম। আমি আমার জনগণের কাছে যা প্রত্যাশা ছিল, আমি তা রাখতে পেরেছি। আমি তাদের কাছে দোয়া চেয়েছি। আমার জনগণ আমার জন্য দোয়া করছে।’ জয়ের ব্যাপারে আপনি কতটুকু আশাবাদী এমন এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘দেখেন আমি আল্লাহকে বিশ্বাস করি এবং গত দশ বছর কসবা-আখাউড়ার জনগণকে সেবা করে গেছি। আপনারা ভালোভাবেই জানেন আমার কী অবস্থা।’

মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে গতকাল সকাল থেকে কসবা পৌর মুক্তমঞ্চ এলাকায় কসবা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে খ- খ- মিছিল আসতে শুরু করে। একপর্যায়ে জনসমাবেশে পরিণত হয়। সেখানে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী, বর্তমান সংসদ সদস্য আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। সেখানে তিনি তার বক্তৃতায় বলেন, ‘আমি আইনমন্ত্রী। নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি রয়েছে। আচরণবিধি ভঙ্গ করা যাবে না। আমি ১৮ তারিখের আগে কোনো ভোটভিক্ষা চাইব না। ১৮ তারিখের পরে এসে ভোটভিক্ষা চাইব। আমি বিগত ১০ বছর আপনাদের এমপি, মন্ত্রী নয়, আপনাদের সন্তান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে গেছি। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি আপনাদের জন্য দোয়া করি। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন হবে। আপনারা কেউ রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে যাবেন না। আমরা কয়েকজন রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করব।’

এর আগে মন্ত্রীকে স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীসহ হাজারো মানুষ ফুল ছিটিয়ে সংবর্ধনা জানায়, এ সময় উপস্থিত ছিলেন আইনমন্ত্রীর সংসদ সদস্য নির্বাচনের মনোনয়নপত্রের মনোনয়নে প্রস্তাবকারী আখাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও আখাউড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম ভূঁইয়া, সমর্থনকারী আখাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল প্রমুখ।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘কসবা-আখাউড়ার মানুষের উন্নয়ন করাই হলো আমার কমিটমেন্ট। যে ক্ষেত্রেই হোক, স্কুল-কলেজের উন্নয়ন, চাকরির ক্ষেত্রে উন্নয়ন, যোগাযোগের উন্নয়ন, যা মানুষের উপকারে আসে সে ব্যাপারে আমার কমিটমেন্ট রয়েছে। আমি প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে উন্নয়ন করেছি। এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি।’

এই প্রতিবেদনের তথ্য পাঠিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও আখাউড়া প্রতিনিধি এবং কসবা সংবাদদাতা

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত