ডিজিটাল সহকর্মী

আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর ২০২৩, ১২:১২ এএম

রোবট উৎপাদনমুখী কাজে ব্যবহার হচ্ছে অনেক দিন ধরেই। তবে এতদিন ‘কাঠামোবদ্ধ জ্ঞানভিত্তিক কর্মীদের (নলেজ ওয়ার্কার্স)’ কাজে এসব রোবট তেমন কাজে আসত না। এবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) কারণে এখানেও শুরু করেছে। আর এতে চাকরি হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন লাখো মানুষ। এই সময়টা আসবে এমনটা অনেকেই জানতেন। তবে এত দ্রুত চলে আসবে, কেউ ভাবেননি। ওপেনএআইয়ের চ্যাটজিপিটি আবির্ভাবের পরই মূলত এই শঙ্কা দেখা যায়। এ বছর এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যাপক আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে। মানুষ রীতিমতো এই এআইয়ের পরামর্শও নিতে শুরু করেছেন। মানুষের কাঠামোবদ্ধ কাজগুলোতেও এবার হানা দিতে পারে এই এআই। গত এপ্রিলেই দিয়েছে মার্কিন প্রতিষ্ঠান গোল্ডম্যান স্যাকস বলছে, বিশে^র জিডিপির ৭ শতাংশে থাকবে চ্যাটজিপিটির মতো এসব এআইয়ের অবদান। এই পরিমাণ জিডিপিতে সাধারণত ৩০ কোটি কর্মীর অংশগ্রহণ থাকে। বিবিসির প্রতিবেদন বলছে, অনেকেই ভাবতেন বিভিন্ন কারখানার মেশিন আর কী চাকরি খাবে?  কিন্তু বাস্তবতা আরও দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। এমন অনেক চাকরি আছে, যাতে  এআই এখনো জুতসই হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। সেসব কাজে জুতসই হতে আরও সময় লাগবে এআইয়ের। সেই সময়টা এরই মধ্যে এসে পড়েছে বলেই মনে করছেন প্রযুক্তিবিদরা। ফলে ‘নিরাপদ’ ভাবা সেই চাকরি নিরাপদ থাকছে না। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি কাজের ক্ষেত্রও উল্লেখ করে দিয়েছে বিবিসি। যেমন- মার্কেটিং, মিউজিক প্রোডাকশন ও গ্রাফিক ডিজাইন। সৃজনশীলতার কিছুটা ছিটেফোঁটা থাকা এসব কাজে এআইয়ের হানা দেওয়া মানুষের জন্য বড় দুশ্চিন্তার বিষয়ই বটে। কেননা জেনারেটিভ এআই টুলস ও টেকনোলজি এখন এ ধরনের কাজেও বেশ পারদর্শী। অদূর ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তি আরও চৌকস হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত