৯ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকার পর রবিবার (১০ ডিসেম্বরে) সকাল ৯টা ৪৫ থেকে স্বাভাবিক হয় ফেরি চলাচল। কিন্তু দীর্ঘ সময় ফেরি বন্ধ থাকায় দৌলতদিয়া প্রান্তে আটকে পড়ে ছোট-বড় মিলিয়ে শতাধিক যানবাহন। এতে করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের অনেকটা সময় ঘাটে অপেক্ষা করতে হয় পারাপারের জন্য।
এর আগে, শনিবার (০৯ ডিসেম্বর) রাত সোয়া ১টার দিকে কুয়াশার ঘনত্ব বেড়ে গেলে দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখে ঘাট কর্তৃপক্ষ।
সরজমিন দৌলতদিয়া ঘাট এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ফেরি বন্ধ থাকার সময় সকাল ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত জিরো পয়েন্ট হতে দৌলতদিয়া-খুলনা মহাসড়ক এলাকায় তৈরি হয় যাত্রীবাহী পরিবহন ও পণ্যবোঝাই ট্রাকের সারি। তবে পণ্যবাহী ট্রাক ও ব্যক্তিগত গাড়ি বেশি ছিল। সকাল ৯টা ৪৫ মিনিট থেকে ফেরি চলাচল শুরু হলে অপেক্ষায় থাকা যানবাহনের সংখ্যা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, কুয়াশার জন্য রাত থেকেই ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় দৌলতদিয়া প্রান্তে যানবাহনের সারি সৃষ্টি হয়েছে। চালক ও যাত্রীদের কিছুটা ভোগান্তি পোহাতে হলেও পর্যাপ্ত ফেরি ও ঘাট চালু থাকায় ফেরি চলাচল শুরুর পর পর অপেক্ষমাণ যানবাহনের চাপ কমে গেছে। বর্তমানে এই নৌরুটে ১৮টি ফেরি চলাচল করছে।
