রিমান্ড-জামিন আবেদন নাকচ

ফখরুল ও খসরুকে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ কারাফটকে

আপডেট : ১৯ ডিসেম্বর ২০২৩, ০১:৫২ এএম

রাজধানীর পল্টন থানায় হওয়া নাশকতার মামলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড ও জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে তাদের দুজনকেই দুদিন কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী এ আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন মডেল থানার এসআই সুমিত কুমার আসামিদের গ্রেপ্তার দেখানোসহ ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করে রিমান্ডের বিষয়ে শুনানি গ্রহণ করে। মির্জা ফখরুল ও আমীর খসরুর পক্ষে তাদের আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান, মহসিন মিয়া ও ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ড আবেদন বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এর বিরোধীতা করা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড ও জামিনের আবেদন নাকচ করে দিয়ে তাদের কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেয়। এর আগে গতকাল দুপুর ১টার দিকে মির্জা ফখরুল ও খসরুকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

গত ২৮ অক্টোবর রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশ ঘিরে কাকরাইলে দুপুর থেকে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। যা পরে বিজয়নগর পানির ট্যাংক ও শান্তিনগর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে পুলিশের এক সদস্য নিহত হন। এ ছাড়া আহত হন পুলিশের ৪১ ও আনসারের ২৫ সদস্য। আহত হন কমপক্ষে ২০ জন সাংবাদিক। এর পরদিন সকালে মির্জা ফখরুলকে তার গুলশানের বাসা থেকে আটক করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। তারপর প্রধান বিচারপতির বাসভবনে ভাঙচুরের অভিযোগের মামলায় ওইদিনই তাকে আদালতে হাজির করা হলে জামিনের আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠায় আদালত। আর গত ২ নভেম্বর গুলশানের বাসা থেকে আমীর খসরুকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। ৩ নভেম্বর তার ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ৯ নভেম্বর রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এ মামলায় গত ২২ নভেম্বর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে মির্জা ফখরুলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়। এরপর জামিন চেয়ে ৫ ডিসেম্বর হাইকোর্টে আবেদন করেন তিনি। আবেদনের শুনানি নিয়ে ৭ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রুল দেয়। ওই মামলায় মির্জা ফখরুলকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয় রুলে। রাষ্ট্রপক্ষকে এক সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত