যুদ্ধে ৫ লাখ সেনা ঘাটতিতে জেলেনস্কি  

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০২৩, ১২:২৩ পিএম

ইউক্রেন যুদ্ধের প্রায় দুই বছর হতে চলেছে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে তথাকথিত পাল্টা আক্রমণে কোনো সফলতা পায়নি ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী। ফুরিয়ে এসেছে গোলাবারুদ, চলে এসেছে শীত। অস্ত্র চেয়ে মিত্রদের দ্বারে দ্বারে রীতিমতো হাত পাতছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এবার সৈন্য ঘাটতির মুখেও পড়েছেন তিনি। ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর কমান্ডাররা দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির কাছে অতিরিক্ত ৫ লাখ সেনা দরকার বলে জানিয়েছেন।  

যুদ্ধ নিয়ে মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) কিয়েভে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। বুধবার (২০ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, ‘কমান্ডাররা সাড়ে ৪ লাখ থেকে ৫ লাখ সেনা সদস্য চান। তবে বিষয়টিকে ‘সংবেদনশীল’ এবং ‘ব্যয়বহুল’ উল্লেখ করেছেন তিনি। সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগে সমর্থন দেওয়ার আগে বিস্তারিত জানা দরকার বলেও মনে করেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। সেনা সংখ্যার বিষয়ে তিনি বলেন, যুদ্ধক্ষেত্রে এরইমধ্যে ৫ লাখ সেনা মোতায়েন রয়েছে।

এমনিতেই যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া নিয়ে অনেকটা জটিল সময় পার করছে ইউক্রেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনয়নভুক্ত দেশগুলো নতুন সহায়তা তহবিল দিতে খুব একটা আগ্রহী নয়।

 মার্কিন কংগ্রেসে রিপাবলিকানরা প্রথম এই মাসের শুরুতে ইউক্রেনের জন্য ৬০ বিলিয়ন ডলার সামরিক প্যাকেজ আটকে করে দিয়েছে। এরপর গত সপ্তাহে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৫০ বিলিয়ন ইউরোর একটি তহবিল আটকে দিয়েছে হাঙ্গেরি। যদিও ইউরোপের নেতারা বলে যাচ্ছে, ইউক্রেনে সহায়তা বন্ধ করা হবে না।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই রুশ বাহিনীর বিপক্ষে লড়ার জন্য গোলাবারুদের ঘাটতিতে রয়েছে ইউক্রেন। শীতের শুরুতে কিয়েভের পাল্টা আক্রমণ থেমে যাওয়ার উপক্রম। এই সময়ে রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

চলতি মাসের শুরুর দিকে বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ইউক্রেনের ফার্স্টলেডি ওলেনা জেলেনস্কা বলেন, ‘পশ্চিমা সমর্থন আমরা মারা পড়বো।’

এদিকে ইউক্রেনের চলমান পরিস্থিতি সুবিধা এনে দিয়েছে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে। চলতি সপ্তাহেই তিনি বলেছেন, তাদের বাহিনী আক্রমণ অব্যাহত রাখবে। লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত