ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি খোরশেদ আলম সোহেল এবং কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদি হাসান পলাশসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা (ডিবি) বিভাগ। গতকাল বুধবার রাতে এ তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। তাদের নির্বাচন বানচাল চেষ্টার অভিযোগে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, খোরশেদ আলম সোহেল এবং মেহেদি হাসান পলাশকে গ্রেপ্তারের পর তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর কাঁটাবনে প্রাইম প্রিন্টারসে অভিযান চালিয়ে ৫০ হাজারের বেশি লিফলেট ও গান পাউডার উদ্ধার করা হয়। গতকাল রাতে সেখান থেকে আরও নয়জনকে আটক করা হয়।
অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানায়, রুহুল কবির রিজভীসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশে নাশকতার উদ্দেশ্যে এসব লিফলেট ও গান পাউডার মজুত করেছিল তারা।
তিনি আরও বলেন, এসব গান পাউডার দিয়ে ২০০টির বেশি ককটেল বানানো যেত। এ ছাড়া ২০টি ককটেল ও পেট্রোল বোমা পাওয়া যায়। ৭ জানুয়ারি ভোট দিতে বাধা-সংক্রান্ত তথ্য প্রচার করা হচ্ছিল লিফলেটে।
এদিকে রাজধানীর কদমতলী এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরকসহ ছাত্রদলের দুই কর্মীকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে র্যাব। তারা হলেন মো. নয়ন (২২) ও আল আমিন (২৩)। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ১৩টি ককটেল, ১৫টি পেট্রোল বোমা, গান পাউডার, কাচের গুড়াসহ ককটেল তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। র্যাবের দাবি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এলাকায় বেশিরভাগ নাশকতার সঙ্গে এ দুজন জড়িত। গাড়িতে আগুন দেওয়ার জন্য নিজেদের মোটরসাইকেলে করে পাম্প থেকে তেল সংগ্রহ করে তারা পেট্রোল বোমা বানায়। গতকাল দুপুরে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে র্যাব-১০ সিপিসি-১ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাব-১০ অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি ফরিদ উদ্দিন। এর আগে মঙ্গলবার কদমতলী এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
