ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অ্যাক্রোবেটিকের ভ্রাম্যমাণ প্রদর্শনী

আপডেট : ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩, ০২:০৫ পিএম

বিশ্বের উল্লেখযোগ্য শিল্প মাধ্যম সার্কাস। সার্কাসের প্রধানতম অঙ্গ/উপাদান অ্যাক্রোবেটিক, শিল্প হিসেবে সমগ্র পৃথিবীতে সমাদৃত। সকল ধরনের দর্শকদের প্রিয় এই শিল্পটি বিকশিত করার অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। 

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় ঢাকার রাজবাড়ীতে অবস্থিত অ্যাক্রোবেটিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নিয়মিতভাবে অ্যাক্রোবেটিক দল প্রশিক্ষণ গ্রহণ ও  বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শনী করে চলেছে। ১৯৯৪ সালে ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে’র পৃষ্ঠপোষকতায় ‘বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি’র ব্যবস্থাপনায় ‘ফাইন এন্ড পারফরমিং আর্ট প্রশিক্ষণ’প্রকল্পের আওতায় অ্যাক্রোবেটিক শিল্পীদের প্রশিক্ষণ ও সংস্কৃতির উন্নয়নের জন্য রাজবাড়ীতে অ্যাক্রোবেটিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়। উক্ত প্রকল্পের আওতায় কোরিয়ান বিশেষজ্ঞদের দ্বারা প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

২০১১ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী অ্যাক্রোবেটিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটিকে চালু করাসহ বিশ্বমানে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে দলটিকে পুনরায় উজ্জিবিত করেন এবং  এ সংক্রান্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। দলকে প্রশিক্ষিত করতে ২০জনকে চীন থেকে একবছর মেয়াদে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। ২০১১ সাল থেকে সারাদেশে এ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ শতাধিক প্রদর্শনী ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে গণজাগরণের শিল্প আন্দোলনের অংশহিসেবে প্রথম দফায় ১৭-২৩ ডিসেম্বর ২০২৩, ৭ দিনব্যাপী ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শিত হয় ‘গণজাগরণের অ্যাক্রোবেটিক উৎসব ২০২৩’। পরবর্তীতে তা বর্ধিত করা হয়েছে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

২৭ ডিসেম্বর বুধবার ভ্রাম্যমান দুটি অ্যাক্রোবেটিক দল মহানগরের পান্থপথ মোড়- কারওয়ান বাজার, ধানমন্ডি লেক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এবং অন্য দল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পরিবেশনা উপস্থাপন করে।

২৮ ডিসেম্বর রাজধানীর খিলগাঁও তালতলা বাজার, বনশ্রী, হাতিরঝিলের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে পরিবেশন করবে।
প্রাথমিকভাবে ঢাকা মহানগরীতে ৩৬ টি স্থানে চলছে অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত