খর্বশক্তির ঢাকার লক্ষ্য প্লে অফ খেলা

আপডেট : ১৫ জানুয়ারি ২০২৪, ০৫:২০ পিএম

চোটের কারণে লম্বা সময় ধরে মাঠের বাইরে এবাদত হোসেন। খেলতে পারেননি বিশ্বকাপেও। তার শূন্যতাটা পুষিয়ে দিচ্ছেন না বাহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম। গত বছরটা স্বপ্নের মতো কাটিয়েছেন তিনি। ৫২ উইকেট নিয়ে টাইগারদের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হয়েছেন তিনি।

২০২৩ সালে টি-টোয়েন্টিতে ৫ ম্যাচে ৭.৭৭ ইকোনোমি আর ১৪.২৫ গড়ে নিয়েছেন ৮ উইকেট। ওয়ানডেতে ১৯ ম্যাচে ৩২ উইকেট, ইকোনোমি ৫.৫০। প্রতি উইকেট নিতে তিনি খরচা করেছেন ২৪.৮৭ রান। টেস্টে ৪ ম্যাচে ১২ উইকেট। এমন পারফরম্যান্সের পর নতুন বছরও নিজের পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার লক্ষ্য শরিফুলের।

এবারের বিপিএলে শরিফুল খেলবেন দুর্দান্ত ঢাকার হয়ে। দলটিতে তিনি ছাড়াও আছেন তাসকিন আহমেদের মতো অভিজ্ঞ পেসার। শরিফুল আশাবাদী তাসকিনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পারফরম্যান্স করতে পারবেন। তিনি বলেন, ‘গত বছরটা আমার খুব ভালো গিয়েছে। বিশেষ করে শেষ ৬-৭ মাস। নতুন বছরে বিপিএল দিয়েই ক্রিকেটে ফিরব। চেষ্টা থাকবে সেই ফর্মটা ধরে রাখার। চেষ্টা করব যতটা ফিট থেকে খেলা যায়। কারণ সামনে দেশের হয়ে অনেক খেলা আছে। এটাই আমার মূল লক্ষ্য।’

আগামী জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এই বিশ্ব আসরকে সামনে রেখে নিজেকে ফিট রাখাই প্রধান লক্ষ্য শরিফুলের। এই পেসারের বিশ্বাস এবারের বিপিএলে অন্য পেসাররাও নতুন কিছু করার চেষ্টা করবেন। শরিফুলও একই পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছেন।

এ প্রসঙ্গে শরিফুল বলেন, ‘অবশ্যই বিপিএল অনেক সাহায্য করবে। যেহেতু সামনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আমাদের এটা টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট। সবাই চাইবে নিজেদের সেরাটা দিয়ে পারফর্ম করতে। আর নতুন কিছু করতে। এটা বিশ্বকাপেও আমাকে সাহায্য করবে।’

কাগজে-কলমে এবারের বিপিএলের তুলনামূলক খর্বশক্তির দল ধরা হচ্ছে ঢাকাকে। তবে শরিফুলের বিশ্বাস তার দল শেষ চারে খেলতে পারবে। সেমি ফাইনাল নিশ্চিত করতে পারলে ফাইনালের কথা ভাববেন বলে জানিয়েছেন ঢাকার এই পেসার।

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রথম লক্ষ্য থাকবে চারে ওঠা। সুপার ফোরে উঠতে পারলে আমরা ফাইনালের চিন্তা করব। আমাদের দলে আমি আছি, সৈকত ভাই আছে, তাসকিন ভাই আছে। ইরফান শুক্কুর ভাই আছে, সাইফ হাসান আছে নাইম শেখ আছে, দেশি প্লেয়াররা আমরা যদি ভালো করি, কিছু কিছু ম্যাচে উইনিং পারফরম্যান্স করি তাহলে আমরা ভালো করব।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত