দ্বাদশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ হিসেবে মাদারীপুর-১ আসন থেকে নির্বাচিত নূর-ই-আলম চৌধুরীকে নিযুক্ত করেছেন রাষ্ট্রপতি।
এ ছাড়া হুইপ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আবু সাঈদ আল মাহমুদ, মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা, ইকবালুর রহিম,মো. নজরুল ইসলাম (বাবু), সাইমুম সরওয়ার (কমল)। মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) পৃথক পৃথক প্রজ্ঞাপনে চিফ হুইপ ও হুইপ নিয়োগের তথ্য জানানো হয়।
যেহেতু এখন পর্যন্ত সংসদে বিরোধী দল কে হবে তা ঠিক হয়নি তাই বিরোধী দলীয় হুইপ নিয়োগ দেওয়া হয়নি।
চিফ হুইপ ও হুইপের কাজ কী?
সাধারণত যে দল সরকার গঠন করে এবং যারা সরকারী দলের পর সবচেয়ে বেশি আসন নিয়ে বিরোধী দলে বসে তাদের দল থেকে আলাদা আলাদাভাবে চিফ হুইপ ও হুইপ নিয়োগ দেওয়া হয়। তারা মূলত সংসদ অধিবেশন সুশৃঙ্খলভাবে চলতে স্পিকারকে সহযোগিতা করেন।
রাষ্ট্রীয় মর্যাদাক্রম অনুযায়ী, সরকারি দলের চিফ হুইপ পূর্ণ মন্ত্রীর পদমর্যাদা ভোগ করেন। আর হুইপ ভোগ করেন প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা। অপরদিকে বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ প্রতিমন্ত্রীর সমান পদমর্যাদা ভোগ করেন।
চিফ হুইপ হলেন সংসদে দলের মুখপাত্র। চিফ হুইপের সঙ্গে কয়েকজন হুইপ থাকেন। তারা সবাই সংসদ সদস্য। চিফ হুইপ ও হুইপের প্রধান কাজ সংসদে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা করা। সংসদ সদস্যরা কত সময় করে বক্তব্য রাখবেন, কোন আসনে কে বসবেন তাও নির্ধারণ করে থাকেন তারা।
প্রথমবারের মতো হুইপ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের মো. নজরুল ইসলাম। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, প্রথম সবকিছুই আনন্দের। সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে চাই।
হুইপের কাজ কী এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সংসদ সদস্যদের নিয়মিত সংসদে হাজির করা, সংসদ পরিচালনা করা ও নিয়ন্ত্রণ করা। সংসদে বিল উত্থাপিত হলে সদস্যরা যেন দলের পক্ষে ভোট দেন তা নিশ্চিত করা।
একজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী প্রতিমাসে যে পরিমাণ বেতন ভাতা ও রাষ্ট্রীয় সুযোগ সুবিধা ভোগ করেন সমপরিমাণ বেতন ভাতা ও রাষ্ট্রীয় সুযোগ সুবিধা চিফ হুইপ ও হুইপরা পেয়ে থাকেন।
তারা সরকারি ব্যয়ে সুসজ্জিত বাসভবন ও সরকারি গাড়ি পাবেন। বাসভবনে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও টেলিফোনের জন্য যাবতীয় ব্যয় সরকার বহন করবে।
মেট্রোর প্রভাবে রুট বদলের চিন্তা বাস মালিকদের
‘আসিফ অপরাধ করেছে, আমরাও কিছু অপরাধ করছি’
টানা তিন দিন বৃষ্টি হতে পারে যেসব জেলায়