সকালের নাস্তা বা ব্রেকফাস্ট নিঃসন্দেহে দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার। এটি সারাদিনের শক্তি যোগায়। শরীরের সঠিক ওজন বজায় রাখার ক্ষেত্রে সকালের নাস্তা বেশ সাহায্য করে।
কিন্তু অনেকেই সকালের নাস্তা বা ব্রেকফাস্ট করার সঠিক সময়টা জানেন না।
সারারাত খালিপেটে থাকার পর শরীরের এনার্জি তলানিতে এসে ঠেকে। তাই প্রতিদিন সকালে উঠে ব্রেকফাস্ট করতেই হবে। অন্যথায় সুগার ফল এবং গ্যাস-অ্যাসিডিটি সহ একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।
কখন ব্রেকফাস্ট করা উচিত
যেহেতু রাতের খাবারের পর অনেকটা সময় শরীর খাবার পায় না তাই সকালের খাবার অর্থাৎ ব্রেকফাস্ট সকাল ৭-৮টার মধ্যে সেরে ফেলা উচিত। যদি এ সময়ের মধ্যে সম্ভব না হয় তাহলে সকাল ১০ টার মধ্যে সেরে ফেলুন। সকাল ১০টার পর যদি নাস্তা খেলে তা কিন্তু দুপুরের খাবার খাওয়ার ওপর এর প্রভাব ফেলে।
নাস্তায় কি খাবেন
অনেকেই ব্রেকফাস্ট শুধু চা-কফি এবং কয়েকটা বিস্কুট খান। তবে এভাবে প্রাতঃরাশ করলে কিন্তু কোনও উপকার তো হবেই না বরং দেহে পুষ্টির ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা বাড়বে।
তাই সুস্থ-সবল থাকতে হলে দিনের শুরুতে ভারী খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।
সেক্ষেত্রে গমের আটার রুটি, মাল্টি গ্রেইন আটার রুটি, ডালিয়া, ওটসের মতো কার্বযুক্ত খাবার খেতে পারেন। এ ছাড়া সকাল সকাল ডিম সিদ্ধ শরীরে প্রোটিনের চাহিদাও মেটাবে।
আর দেহে ভিটামিন এবং খনিজের জোগান দিতে চাইলে ব্রেকফাস্টের সঙ্গে একটা ফল ও বাদাম খাওয়া ভালো।
ভালোমত ক্যালসিয়াম এবং ফাইবার পেতে হলে দুধের সাথে সিরিয়াল খেতে পারেন।
সাইট্রাস ফ্রুট এড়িয়ে চলুন
সকালের নাস্তায় ফল খাওয়া উপকারি হলেও সকালের দিকে খালি পেটে সাইট্রাস ফ্রুট অর্থাৎ লেবু জাতীয় ফল এড়িয়ে চলা ভালো। কারণ সকালে এইসব ফল গ্যাস-অ্যাসিডিটির বাড়িয়ে তুলতে পারে।
তাই ব্রেকফাস্টে কলা, পেয়ারা, আপেলের মতো উপকারী ফল খাওয়া উচিত। এসব ফলের মাধ্যমেই দেহে ভিটামিন, খনিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবারের ঘাটতি মিটে যাবে।
কর্মক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাসী হওয়ার উপায়