অন্য কোনো সীমান্তে গুলি করে মানুষ হত্যা করা হয় না: মঈন খান

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২৪, ০৪:৫৫ পিএম

সীমান্তে হত্যার নিন্দা জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, আধুনিক বিশ্বের কোথাও কোনো সীমান্তে হাজার হাজার মানুষ গুলিতে মারা হয় না। দুটি বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের সীমান্তে সাধারণ মানুষকে গুলি করে মারা হচ্ছে। আমরা এই হত্যা চাই না। সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চাই।

আজ সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির মিলনায়তনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৮৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ) আয়াজিত এক আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মঈন খান বলেন, আমরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করার সংগ্রামে আছি। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের সংকট উত্তরণে একটি নাম স্মরণীয়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যেভাবে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর হামলা চালিয়েছিল সেদিন জিয়াউর রহমান নির্দেশনা না দিলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। জিয়াউর রহমান গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন। বাংলাদেশকে নতুন রূপে পরিচালনা করেছিলেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে বাংলাদেশ আধুনিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। শুধু তাই নয়, আঞ্চলিক শান্তি-সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার জন্য সার্ক গঠন করেছিলেন।

গণতন্ত্রের সংকট উত্তরণে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাাপট শীর্ষক সভায় সভাপতিত্ব করেন জেডআরএফের রিসার্চ সেলের আহ্বায়ক ডা. সৈয়দা তাজনিন ওয়ারিস সিমকী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জেডআরএফর ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম।

জন্মবার্ষিকী উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব প্রকৌশলী কে এম আসাদুজ্জামান চুন্নুর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন বিএনপির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজু, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক লুৎফর রহমান, সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম কাগজী, জেডআরএফের ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য প্রকৌশলী মাহবুব আলম, মুক্তিযোদ্ধা দল ঢাকা মহানগরীর সভাপতি প্রকৌশলী হালিম মিয়া প্রমুখ। এ সময় জেডআরএফের সদস্যসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত