আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি পরীক্ষা। হাতে সময় আর মাত্র ৪ দিন। কিন্তু গত বারের মতো এবারও বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্র নিয়ে অনিশ্চিয়তায় রয়েছে।
ঘুমধুমবাসীর কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে, সীমান্তবাসীর গত সপ্তাহ কেটেছে গোলাগুলি, বোমা , মর্টার শেলের বিকট আওয়াজ আতংকে। গোলাগুলি কিছুটা কমলেও গত তিনদিন ধরে সীমান্তে একের পর এক মিলছে অবিস্ফোরিত মর্টার শেল। এ নিয়ে আতংকগ্রস্ত এএসএসসি পরীক্ষার্থীসহ সীমান্তবাসী।
শিক্ষার্থীরা বলছে, গুলির শব্দের কারণে কোনোভাবেই মনোযোগ দেওয়া যায় না লেখাপড়ায়। আতঙ্কে তারা নিজেরাই বাড়িতে থাকতে পারে না। পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলেও মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের সদস্যদের ধুমধুম উচ্চ বিদ্যালয়ে রাখা হয়েছে। ফলে কোচিং ও ক্লাস বন্ধ রয়েছে।
তারা আরো জানিয়েছেন, নাইক্ষ্যংছড়ির বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতো ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয়ে। গত বছরও সীমান্তের পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় জরুরি মুহূর্তে এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র নেওয়া হয়েছিল কুতুপালং উচ্চ বিদ্যালয়ে।
এ বিষয়ে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শাহ মুজাহিদ উদ্দিন বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্র সরিয়ে নেওয়া হবে। তবে এবার কুতুপালং নয়, অন্য বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্র সরিয়ে নেওয়া হবে।
