অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তী। আর এক টলি-অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিকের জুড়ি বলা যেতে পারে তাকে। রঞ্জিত মল্লিকের মতো তারও কোনও রটনা নেই। কোনও নারীকে কেন্দ্র করে গসিপ নেই। এই দুই অভিনেতার মধ্যে প্রকৃত ‘বন্ধু’কে খুঁজে পেয়েছেন টলিপাড়ার অধিকাংশ অভিনেত্রী।
নিজের ভাগ্নিকে বিয়ে করেছিলেন সব্যসাচী। আর সে গল্প শাশ্বত চট্টোপাধ্য়ায়কে বলেছিলেন অভিনেতা ও তার স্ত্রী অভিনেত্রী মিঠু চক্রবর্তী। মিঠুর বাবা ছিলেন ফাইটার পাইলট। আর্মি পরিবারের মেয়ে তিনি। পরিবার ছিল ভয়ানক রক্ষণশীল এবং অনুশাসনে মোড়া। সব্যসাচী ছিলেন তার মায়ের পরিবারের আত্মীয়। মিঠুর মায়ের দূর সম্পর্কের ভাই সব্য়সাচী। ছোটবেলা থেকেই তাকে চিনতেন মিঠু। সেই ফ্রক পরা বয়স থেকেই। মায়ের দূর সম্পর্কের ভাই হওয়ার সুবাদে সব্যসাচীকে ‘মামা’ সম্বোধন করতেন মিঠু।
প্রেমের সম্পর্কের পর ১৯৮৬ সালে বিয়ে করেন মিঠু-সব্যসাচী। বিয়ের পর থেকে আজ পর্যন্ত কোনও ধরনের বিবাদ ঘটেনি সব্যসাচী-মিঠুর মধ্যে। তাদের সন্তান বলতে দুই পুত্র অর্জুন এবং গৌরব। দুই পুত্রই টালিগঞ্জের প্রতিষ্ঠিত অভিনেতা।
