যৌতুক নিরোধ আইনের একটি মামলার কার্যক্রমের ওপর হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের পরও আসামিকে বিচারিক আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেওয়ার ঘটনায় মাদারীপুরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কে এম আলমগীর হোসেনকে তলব করেছে হাইকোর্ট। সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।
আগামী ১০ মার্চ ওই বিচারককে সশরীরে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে হবে। আদালতে আসামির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সগির হোসেন লিওন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান মনির।
অ্যাডভোকেট সগির হোসেন লিয়ন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ২০১৯ সালের ১৭ এপ্রিল কিশোরগঞ্জের এক তরুণী ও ময়মনসিংহের এক বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন। বনিবনা না হওয়ায় গত বছরের ১৪ মে তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। এরপর স্ত্রী স্বামীর বিরুদ্ধে গত বছরের ৬ আগষ্ট মাদারীপুরের সংশ্লিষ্ট আদালতে যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় মামলা করেন। এ মামলায় আসামি এখন জামিনে আছেন।
আইনজীবী বলেন, আমাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর ওই মামলার কার্যক্রমের ওপর ছয় মাসের স্থগিতাদেশ দেয় হাইকোর্ট। এ স্থগিতাদেশের মেয়াদ শেষ হবে মার্চের প্রথম সপ্তাহে। ইতোমধ্যে বাদীপক্ষ বিচারিক আদালতে আসামির জামিন বাতিলের আবেদন করেছে। ওই বিচারক হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের পরও আসামিকে হাজির হতে আদেশ দিয়েছেন। বিষয়টি হাইকোর্টের নজরে আনা হলে আদালত তাকে তলব করে ব্যাখ্যা দিতে বলেছেন। হাইকোর্ট তার কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চেয়েছেন।
হঠাৎ পিটার হাসের সঙ্গে মঈন খানের বৈঠক
এবার ডিবি কার্যালয়ে মুশতাক-তিশা দম্পতি