এবারের বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচেই কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিক তুলে নিয়েছিলেন শরিফুল ইসলাম। আসরের মাঝপথে এসে কুমিল্লার ইংলিশ তারকা অলরাউন্ডার মইন আলি চলতি আসরে তার প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেই গতকাল তুলে নেন হ্যাটট্রিক। বিপিএল ইতিহাসে অষ্টম হ্যাটট্রিক এটি। তাতে চট্টগ্রামকে ১৬৬ রানে গুটিয়ে ৭৩ রানের বিশাল জয় পায় কুমিল্লা। ১৭তম ওভারে মইন একে একে ফেরান শহিদুল ইসলাম, আল-আমিন হোসেন ও বিলাল খানকে। তার আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে কুমিল্লা তোলে ৩ উইকেটে ২৩৯ রান। সেঞ্চুরি করেন উইল জ্যাকস। এবারের আসরের তো বটেই বিপিএল ইতিহাসে যৌথ সর্বোচ্চ সংগ্রহ এটি।
রেকর্ড গড়া রান তাড়ার লক্ষ্যে প্রথম উইকেটে ৮০ রানের ঝড়ো জুটি গড়েন তানজিদ হাসান তামিম ও জশ ব্রাউন। ১০ রানের ব্যবধানে এ দুজন ফিরে গেলে ধস শুরু হয় চট্টগ্রাম ইনিংসে। ২৪ বলে ৪১ রান করেন তানজিদ। জশ ব্রাউন করেন ২৩ বলে ৩৬। এছাড়া সৈকত আলি করেন ১১ বলে ৩৬ রান। কুমিল্লার লেগি রিশাদ ও মইন আলি দাঁড়াতে দেননি কাউকে। দুজন মিলে ফেরান চট্টগ্রামের ৮ ব্যাটারকে। বাকি দুই উইকেট তুলে নেন মোস্তাফিজুর রহমান।
কুমিল্লার হয়ে উদ্বোধনী জুটিতে জ্যাকস ও লিটন তোলেন ৮৬ রান। ৯ চার ও ৩ ছক্কায় ৬০ রান করে ফেরেন লিটন। চতুর্থ উইকেটে অবিচ্ছেদ্য ১২৮ রানের জুটি গড়েন তারা। ৫০ বলে তিন অঙ্ক ছোঁয়ার পর ৫৩ বলে অপরাজিত ১০৮ রানের ইনিংস খেলেন জ্যাকস। তার ইনিংসে ছিল ৫ চার ও ১০ ছক্কা। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এর আগে জ্যাকসের সেঞ্চুরি ছিল দুটি। যার একটি এ বছরই। এসএ২০-তে গত জানুয়ারিতে প্রিটোরিয়া ক্যাপিটালসের হয়ে ৪১ বলে। অন্যটি ২০২২ সালে, দ্য হান্ড্রেডে। ফিল্ডিংয়ে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ৫টি ক্যাচ নিয়েও রেকর্ড গড়েন ম্যাচসেরা জ্যাকস। মইন আলি অপরাজিত ছিলেন ২৪ বলে ৫৩ রান করে। মইনের ইনিংসে ছিল ২ চার ও ৫ ছক্কা। বিপিএলে এর আগের সর্বোচ্চ সংগ্রহটি ২০১৯ সালে। রংপুর রাইডার্স করেছিল ২৩৯/৪। সেটিও এই ভেন্যুতেই। চট্টগ্রাম ভাইকিংসের বিপক্ষে।
