বিপিএল ইতিহাসের চতুর্থ সেরা বোলিং নৈপুণ্য দেখিয়ে বরিশালকে ১৫১ রানে বেধে রাখলেন আবু হায়দার রনি। চলতি আসরে তৃতীয় ও সামগ্রিকভাবে এটি বিপিএলের ২০তম ফাইফার বা পাঁচ উইকেট শিকারের নজির।
রনি ১২ রানে নিয়েছেন ৫ উইকেট। যা বিপিএলে বাংলাদেশের কোন বোলারের সেরা বোলিং।
দারুণ শুরু করেছিলেন তামিম। ৩৮ রানের উদ্বোধনী জুটির ৩৩ রানই এসেছে তার ব্যাট থেকে। বল খেলেছেন ২০টি। ক্রিজে তিনি সেট। এ অবস্থায় পঞ্চম ওভারে বোলিংয়ে আসলেন সাকিব আল হাসান। সাকিবের করা প্রথম ডেলিভারিতেই ক্যাচ তুলে দিলে তামিম। সাকিব নিজেই ধরে ফেলতে পারতেন ক্যাচটি। তবে পজিশনে থাকা মুমিনুল আগে থেকে কল দিয়ে সহজ ক্যাচটি তালুবন্দি করেন। আর এভাবেই নিজের শততম ম্যাচটি খানিক বিষাদের সঙ্গে স্মরণীয় করে রাখলেন।
তামিমের দুঃখ মেটাতে ক্রিজে এসে আরও দুর্দান্ত ক্রিকেট উপহার দিতে থাকেন কাইল মায়ার্স। দ্বিতীয় উইকেটে ৪৫ বলে ৭২ রানের জুটি গড়েন থমাস ব্যান্টনের সঙ্গে। ব্যান্টন ফেরার সময় বরিশালের ওভারপ্রতি রান প্রায় ১০। ওই অবস্থায় ১৩তম ওভার করতে সোহান ঢেকে আনেন একাদশে সুযোগ পাওয়া আব হায়দার রনিকে। ম্যাচ না খেলার ক্ষোভ পুষে রেখেছিলেন বোধহয় রনি। একাই বরিশালের মুঠো থেকে ম্যাচ বের করে নিয়ে আসেন। তার প্রথম ওভারের তাণ্ডবে বরিশাল টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যান খাবি খান।
প্রথমে ফেরান মুশফিকুর রহিমকে। এক বল পরে স্টাম্প উপড়ে নেন সৌম্য সরকারের। ওখানেই না থেকে বরিশালের ইনিংস টানতে থাকা কাইল মায়ার্সকে তৃতীয় শিকার বানান রনি। নিজের দ্বিতীয় ওভারে তুলে নেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের উইকেট। তৃতীয় ওভারে মেহেদী হাসান মিরাজকে ফিরিয়ে প্রথমবারের মতো স্পর্শ করেন বিপিএলে পাঁচ উইকেট শিকারের কৃতিত্ব।
হাসান মাহমুদ ২টি এবং সাকিব ও জিমি নিশাম ১টি করে উইকেট শিকার করেন।
২৭ বলে সর্বোচ্চ ৪৬ রান আসে মায়ার্সের ব্যাটে। তার ইনিংসে ৪টি চার ও ৩টি ছক্কা। ২০ বলে ৩৩ করার পথে তামিম ৩টি চার ২টি ছক্কা হাঁকান।
