রূপায়ণ গ্রুপের কো-চেয়ারম্যান মাহির আলী খাঁন রাতুল বলেছেন, ‘বাংলাদেশ আবাসন খাতকে বিশ্বের বুকে নিয়ে যেতে দরকার সঠিক নেতৃত্ব। এ ছাড়া সারা পৃথিবীর কাছে আমরা আবাসন খাতের মাধ্যমে পারিবারিক সম্পর্ক ও মানুষের সম্পর্কের বিকাশ সম্ভব এমন উদাহরণ গড়ে তুলতে চাই।’
গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় উত্তরা ক্লাবের লোটাস হলরুমে ‘আবাসন খাতের ভবিষ্যৎ ও উন্নয়নের পথরেখা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ‘জয় ধারা’ ও বাংলাদেশের প্রথম সিটি ব্র্যান্ড রূপায়ণ সিটি এই সেমিনার আয়োজন করে।
সভায় বাংলাদেশের আবাসন খাতের বর্তমান অবস্থা, এর ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা এবং এর উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলো নিয়ে আলোচনা করেন দেশের আবাসন খাতের স্বনামধন্য ব্যবসায়ীরা।
এয়ারবেল ডেভেলপমেন্ট টেকনোলজিস লিমিটেড ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমানে আমরা মহাসংকটে আছি। ল্যান্ড রেজিস্ট্রেশন ম্যানেজমেন্টের কারণে বাৎসরিক ৩০ থেকে ৪০ কোটি টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে। এ টাকা দেশে রাখার জন্য সামনের বাজেটে বড় ধরনের ল্যান্ড রেজিস্ট্রেশন পরিবর্তন আনা দরকার। রেজিস্ট্রেশন কস্ট কমিয়ে আমাদের উত্থানের জন্য একটি পথ সৃষ্টি করা দরকার।’
হামিদ রিয়েল এস্টেট কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইন্তেখাবুল হামিদ (অপু) বলেন, ‘আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, অভিজ্ঞ ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের আবাসন খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। আমার বিশ্বাস, আমরা যদি দলবদ্ধভাবে কাজ করতে পারি এবং আমাদের জয় ধারা পরিবার নেতৃত্বে আসতে পারে তাহলে অনেক কিছু করা সম্ভব। সরকার যে ধরনের প্রকল্প গ্রহণ করেছে, সরকারের সঙ্গে মিলেমিশে ঢাকার আশপাশের জমি সহজ উপায় প্রাইভেট সেক্টরের সঙ্গে পিপি করে, তাহলে আবাসন খাতে বিপ্লব ঘটবে। সেই সঙ্গে এ খাতের চাহিদাও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করি।’
আলোচনা সভায় রিহ্যাবের সব সদস্য ও ডেভেলপার ব্যবসায়ী অংশগ্রহণ করেন। আলোচনা শেষে নৈশভোজের আয়োজন করে রূপায়ণ সিটি।
