এখনও মাঠ মাতাচ্ছেন মেসি-রোনালদোই!

আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৮:০৭ পিএম

সাত ঘণ্টার ব্যবধানে মাঠে নেমেছিলেন ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসি। আল নাসরের হয়ে শেষ মুহূর্তে গোল করে দ্বিগুণ ব্যবধানে জেতান দলকে। অন্যদিকে নিজে গোল না পেলেও মেসির বাড়িয়ে দেওয়া শটেও রিয়েল সল্টলেকের জালে বল জড়িয়ে জয়ের দেখা পেয়েছে ইন্টার মায়ামি। তবে জয় ছাপিয়ে ভাবনার জায়গা অন্যত্র। এখনও কি এ দুজনেই ফুটবলের রাজা! তারাই কি এখনও সবার চেয়ে বেশি মাঠ মাতান!

দর্শকরা গ্যালারিতে কিংবা টিভির সামনে বসে খেলা দেখেন গোলের আনন্দে মেতে উঠবেন বলে। প্রিয় দল গোল করবে, তারা উল্লাস প্রকাশ করবেন। আর এই বিনোদন দেওয়াটাই ফুটবলারদের কাজ। মাঠে কারো কাজ গোল করা, কারোর আবার গোল করানো। সেটাই এখনও করে যাচ্ছেন মেসি রোনালদোরা।

লিওনেল মেসি নিজে যেমন গোল করেন, তেমনি সতীর্থদের দিয়ে করানও। ক্রিকেটের মতো ফুটবলেও যদি অলরাউন্ডার পজিশন থাকতো, তবে তিনি সেই তকমাই পেতেন। কারণ রোনালদোকে মাঠে দেখা যায় শুধুই গোল করার বেলায়। তাতেও দর্শক কিংবা সমর্থকদের আপত্তি নেই। গোল হলেই যে তারা মেতে উঠেন আনন্দে। আর সেই কাজটা এই ‘বুড়ো’ বয়সেও করে যাচ্ছেন তারা।  

বুধবার দিবাগত রাত ১২টায় সৌদি আরবের আল আওয়াল স্টেডিয়ামে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগে আল ফেইয়ার বিপক্ষে খেলতে নেমেছিল রোনালদোর আল নাসর। রোনালদোদের মুহুর্মুহু আক্রমণের জবাবে ফেইয়া গোলের উদ্দেশ্যে শটই নিতে পেরেছে মাত্র একটি। ১৭ মিনিটে ওটাভিওর গোলের পর ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো গোল করেন ম্যাচের ৮৬ মিনিটে।

এদিকে আজ সকাল ৭টা ১০ মিনিটে মায়ামির ডিআরবি পিএনকে স্টেডিয়ামে মেজর লিগ সকারের ম্যাচে রিয়েল সল্টলেকের বিপক্ষে খেলতে নেমেছিলেন মেসি। প্রথম গোল পেতে অপেক্ষা করেছেন ৩৯ মিনিট। গোলটি আসে টেলরের কাছ থেকে। মেসির পাস থেকে গোল করেন তিনি। অবশ্য তাতে সল্ট লেকের গোলকিপার ম্যাকম্যাথেরও অবদান আছে। খুব বেশি জোরালো শট না হলেও তার হাতের নিচ দিয়ে বল জালে জড়ায়। মেসি নিজেও পেয়ে যেতে পারতেন গোলের দেখা। সেটা ম্যাচের ১৬ মিনিটের সময়ের ঘটনা। সল্ট লেক পোস্ট ঘেঁষে এক ডিফেন্ডারকে দাঁড় করানোয় রক্ষা। মেসির দুর্দান্ত বাঁকানো শট সেই ডিফেন্ডারের মাথায় লেগে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

এই দুই ম্যাচের বর্ণনাতেই ফুটে উঠে এখনও মাঠ মাতিয়ে বেড়ান মেসি-রোনালদোরাই। মাঠের লড়াইটা জমে উঠে তাদের ঘিরেই। দুজনের বয়সই চল্লিশের কাছাকাছি, তবু ফুটবল মাঠের বড় আকর্ষণ তারাই।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত