ডিয়েগো ম্যারাডোনা, কিংবদন্তি এই ফুটবলারকে নতুন করে চেনানোর প্রয়োজন নেই। তিনি শুধু আর্জেন্টিনার ১৯৮৬ বিশ্বকাপ জয়ের নায়কই নন, কারও কারও মতে সর্বকালের সেরা ফুটবলার।
১৯৮৬'র বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা দলের করা ১৪টি গোলের ১০ টিতেই অবদান ছিল প্লে-মেকার ম্যারাডোনার। নিজে করেছিলেন পাঁচ গোল, সতীর্থদের দিয়ে করান আরও পাঁচটি। ৮৬'র বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যারাডোনার করা দুটি গোলই বিখ্যাত।
২০০০ সালে শতাব্দীর সেরা ফুটবলার নির্বাচনে ফিফা আয়োজিত এক জরিপে সাধারণ মানুষের ভোটে পেলেকে পেছনে ফেলেছিলেন ম্যারাডোনা। অবশ্য সাংবাদিক ও কোচদের ভোটে হয়েছিলেন দ্বিতীয়।
হঠাৎ কেন আবার এই পুরোনো প্রসঙ্গ। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে ম্যারাডোনার শুরুটা হয়েছিল ১৯৭৭ সালের আজকের দিনে।
১৯৭৭ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি, হাঙ্গেরির বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে অভিষেক হয়েছিল ম্যারাডোনার। ম্যারাডোনার বয়স তখন ছিল ১৬ বছর। শুরুর একাদশে ছিলেন না ম্যারাডোনা। ম্যাচের ৬২ মিনিটে বদলি হিসেবে নেমেছিলেন। ম্যাচে ম্যারাডোনা গোল না পেলেও আর্জেন্টিনা ম্যাচটি জিতেছিল ৫-১ এ।
জাতীয় দলে অভিষেকের চার মাস আগে আর্জেন্টিনোস জুনিয়র্সের হয়ে পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন ম্যারাডোনা। ১৬ বছর পূর্ণ হওয়ার ১০ দিন আগে পেশাদার ফুটবলে অভিষেক হয়েছিল তার।
২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর বুয়েন্স আইয়ার্সে ৬০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন ম্যারাডোনা। তবে মানুষের মনে তিনি বেঁচে থাকবেন অনন্তকাল।
