ইতিহাদে শেষ দুবার খেলতে গিয়ে ১০ গোল খেয়েছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। মার্কাস রাশফোর্ড আচমকা গোল করে ধারাটা বদলানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন খেলার ৮ মিনিটেই। কিন্তু না, নিয়তি তাদের গোল খাওয়ার। ফিল ফোডেনের দুগোল আর আর্লিং হালান্ডের ফিনিশিংয়ে ৩-১ ব্যবধানে হার নিয়ে ফিরতে হচ্ছে একদা রেড ডেভিল নামে পরিচিতদের।
কেভিন ডি ব্রুইনের বুদ্ধিদীপ্ত রিভার্স পাসে জন স্টোনস বল পেয়েছিলেন খেলার ৭ মিনিটে। কিন্তু কাসেমিরো বাধা হয়ে দাড়ান। এর ঠিক পরপরই ম্যানইউয়ের ক্যামেরুনিয়ান গোলকিপার আন্দ্রে ওনার বল লব করেছিলেন সিটির গোলমুখে। ব্রুনো ফার্নান্দেজ সেটা ধরে মার্কাস রাসফোর্ডকে দিলে 'নাম্বার টেন' বুলেট গতির শটে স্তব্ধ করে দেন ইতিহাদকে। নগর প্রতিদ্বন্দ্বীর বিপক্ষে রাশফোর্ডের এটি ষষ্ঠ গোল।
ফিল ফোডেন ও রদ্রির দুটি চেষ্টা ওনানা নস্যাৎ করার পর বিরতির আগে নিশ্চিত গোল মিস করেন আর্লিং হালান্ড। দলের আগের ম্যাচে পাঁচ গোল করা নরওয়েজিয়ান ফরোয়ার্ড, ফোডেনের হেড থেকে ৬ গজের মধ্যে বল পেয়েও পোস্ট মিস করেন অবিশ্বাস্যভাবে।
বিরতির পর রাশফোর্ডকে কাইল ওয়াকারের হালকা ট্যাকেল নিয়ে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে এরিক টেন হ্যাগ হলুদ কার্ড দেখেন। এই উত্তেজনা উল্টো তাতিয়ে তোলে সিটিকে। রদ্রির পাস থেকে বল পেয়ে বা-পায়ের শটে জাল কাপান ফোডেন।
গত বছর ম্যানইউ'র বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করা ফোডেন ৮০ মিনিটে এগিয়ে দেন সিটিকে। জুলিয়ান আলভারেজের সাথে ওয়ান-টু করে বক্সের ভেতরে ঢুকে পড়ে ডান পায়ের শটে ওনানাকে দ্বিতীয়বার পরাস্ত করেন তিনি।
মিনিট তিনেক পর মরোক্কান ডিফেন্ডার আমরাবাতের ভুলের সুযোগে রদ্রির পাস থেকে বল নিয়ে হালান্ড নাম লেখান স্কোরবোর্ডে।
কাতার বিশ্বকাপের ঠিক আগে থেকে ঘরের মাঠে অপরাজিত (৩১তম জয়, ড্র ৫) ম্যানসিটি মৌসুমের ১৯তম জয়ে লিগ শীর্ষের লিভারপুলের ওপর চাপ ধরে রাখলো। মাত্র ১ পয়েন্ট এগিয়ে লিভারপুল।
