চট্টগ্রামের চন্দনাইশে আগুনে পুড়ে কৃষক আবদুল গফুর নামে এক খামারির ১১টি গরু মারা গেছে। মঙ্গলবার (১২ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বৈলতলী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বুড়ির দোকান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট কিংবা মশার কয়েল থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে স্থানীয় ও জনপ্রতিনিধিরা। তবে ক্ষতিগ্রস্ত মালিকের সন্দেহ প্রতিবেশীকে ঘিরে।
ক্ষতিগ্রস্ত খামারি আব্দুল গফুর বলেন, ‘পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পার্শ্ববর্তীরা আগুন লাগিয়েছে বলে সন্দেহ হচ্ছে। ধারদেনা করে এসব গরু কিনেছিলাম। প্রায় ২০ লাখ টাকার উপরে ক্ষতি হয়েছে আমার।’ থানায় অভিযোগ করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান খামারি আবদুল গফুরের ছেলে ইমন।
বৈলতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম সায়েম বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আগুনে পুড়ে ১১টি গরুর মৃত্যু হয়। উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। সেখান থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।’
চন্দনাইশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ফায়ার ফাইটার মোশাররফ হোসেন জানান, খবর পেয়েই ফায়ার সার্ভিসের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ততক্ষণে স্থানীয় জনগণ আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন। এতে ১১টি গরু পুড়ে মারা যায় বলে জানা যায় এবং ৪টি গরু জীবিত অবস্থায় জবাই করা হয় বলে জানা যায়। স্থানীয় জনগণ বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানান। আমরা যাওয়ার আগে আগুন নেভানোর কারণে আমরা আর তদন্ত করিনি।
চন্দনাইশ থানার ওসি ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আগুনে পুড়ে ১১টি গরু মারা যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট বা মশার কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত। তবে অভিযোগ পেলে আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখব।’
দেওয়ানগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত
‘খায়রুন লো’ গানের গীতিকার ও অভিনেতা ওয়াদুদ মারা গেছেন