বিপিএল অসাধারণ একটা সময় কাটিয়ে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) শুরু করেছিলেন তামিম ইকবাল। টি-টোয়েন্টির মতো ওয়ানডেতেও দারুণ করবেন এটাই ছিল প্রত্যাশা। তবে সে আশায় আপাতত গুড়েবালি। প্রাইম ব্যাংকের হয়ে তার ব্যাটে যেন চলছে রানখরা। প্রথম দুই ম্যাচে ২৬ ও ১৭ রানের পর আজ ফিরে গেছেন মাত্র ৬ রান করেই।
ব্যাট হাতে তাই আজও তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরলেন দেশসেরা এই ওপেনার। ১১ বলেই থেমে যায় তার ইনিংস। আগের ম্যাচে তিনে নামলেও আজ সিটি ক্লাবের বিপক্ষে ওপেনিংয়েই নেমেছিলেন তামিম। তবুও সুবিধা করতে পারেননি প্রাইম ব্যাংকের এই অধিনায়ক।
তামিম ব্যর্থ হলেও মাঠে দ্যুতি ছড়িয়েছেন আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান পারভেজ হোসেন ইমন ও জাকির হাসান। ইমন টানা দ্বিতীয় ম্যাচে পেলেন শতকের দেখা। সেঞ্চুরি করে অবশ্য বেশিক্ষণ টিকেননি তিনি। ১১৪ বলে ১০০ রানেই থেমে যান তিনি। তার ব্যাট থেকে আসে ৫টি করে চার ও ছক্কার মার। জাকির ফিরেছেন ৭৯ রান করে। ৭৭ বলে তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ৮টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে।
যানজটের কারণে আগের ম্যাচে স্টেডিয়ামে পৌঁছাতে দেরি হয়েছিল তামিম ইকবালের। তাই অধিনায়কত্ব এবং ওপেনিং কোনোটাই করতে পারেননি। তার জায়গায় শাহাদাত হোসেন দীপু নেমেছিলেন ওপেনিংয়ে। পেয়েছিলেন সেঞ্চুরির দেখা। সেই দীপু আজ নেমেছিলেন ৬ নম্বরে। ১ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। আউট হয়ে গেছেন সেট হওয়ার আগেই। শেষ বেলায় মোহাম্মদ মিঠুন অবশ্য ২৯ বলে ৪২ রানের ঝড়ো একটা ইনিংস খেলেন। তাতে নির্ধারিত ওভার শেষে ৮ উইকেটে ৩০৫ রানের সংগ্র দাঁড় করায় প্রাইম ব্যাংক। সিটির হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট শিকার করেছেন মেহেদি হাসান।
দিনের অন্য ম্যাচে আবাহনীর বিপক্ষে ১৬৯ রানে অলআউট হয়ে গেছে শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাব। দলটির পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৫ রান করেন অধিনায়ক আকবর আলি ও মেহরব হাসান করেন ৫০ রান। আবাহনীর হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি করে উইকেট শিকার করেছেন খালেদ আহমেদ ও আফিফ হোসেন ধ্রুব।
আরেক ম্যাচে নুরুল হাসান সোহানের সেঞ্চুরিতে ২৫৬ রান করেছে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। ৬ চার ও ৪ ছক্কায় ৯৭ বলে ১০১ রান করেন সোহান। ৮ চারে ১০০ বলে ৭৪ রান করেন ফজলে মাহমুদ রাব্বি। ব্রাদার্স ইউনিয়নের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট শিকার করেন আবু জায়েদ রাহি।
