একই দুঃস্বপ্ন যখন মানুষ বারবার দেখে তখন তাকে বলা হয় ডেজাভু। বাংলাদেশের জন্য সিলেট টেস্টটি যার উৎকৃষ্ট প্রমাণ হয়ে রইল। প্রথম দিন শেষ বিকেলে ১০ ওভার ব্যাটিং করতে গিয়েই তিন তিনজন টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান আত্মসমর্পণ করেছিলেন। তৃতীয় দিনের পড়ন্ত বিকেলে ৫১১ রানের লক্ষ্যে নেমে ওই দুঃস্বপ্ন কয়েকগুণ মাত্রা বাড়িয়ে টেনে নিয়ে এসেছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। দিন শেষ হয়েছে ৫ উইকেট হারিয়ে বোর্ডে ৪৭ রান তুলে।
প্রথম দিন ধস সামলে টিকে ছিলেন মাহমুদুল হাসান জয়। এবার তাকে দিয়েই ধসের শুরু। বিশ্ব ফার্নান্দোর চতুর্থ বলেই লেগ বিফোরের ফাঁদে জয়। রানের খাতা শূন্য। অধিনায়ক শান্ত লঙ্কানদের যেন উপহার দিয়ে এলেন নিজের উইকেট। দ্বিতীয় ওভার করতে আসা কাসুন রাজিথার শেষ বলে অটেস্টসুলভ শটে স্লিপে ধরা খেলেন করুনারত্নের হাতে।
সেখান থেকে কিছুক্ষণের বিরতি। ৮ম ওভারে লাহিরু কুমারার দুর্দান্ত ডেলিভারি কুশলের গ্লাভসে যাবার আগে ছুঁয়ে গেল জাকিরের ব্যাটের কানা। ১৯ রান করা জাকিরও হাটা ধরলেন সাজঘরে। পরের ওভার করতে এলেন বিশ্ব ফার্নান্দো। তৃতীয় বলে শূন্য হাতে ফেরালেন শাহাদাত হোসেন দীপুকে।
কিসের যেন বড্ড তাড়াহুড়া লিটন দাসের। ৫১১ রানের লক্ষ্য হয়তো ছক্কা হাঁকিয়ে ছুঁতে চাইছিলেন তিনি। না হলে প্রথম বলেই এগিয়ে এসে অমন শট কোনো টেস্ট মেজাজী ব্যাটসম্যানের খেলার কথা না। কিংবা চাপ সামলাতেই পারেননি হয়তো প্রতিভাবান লিটন। স্বাদ পেলেন গোল্ডেন ডাক-এর।
তৃতীয় দিনশেষে টেস্ট স্পেশালিস্ট মুমিনুল আর প্রথম ইনিংসের সেরা রান সংগ্রাহক নাইটওয়াচম্যান তাইজুল রক্ষা করলেন মান। মুমিনুল ৭ আর তাইজুল ৬ রানে অপরাজিত। বাংলাদেশ পিছিয়ে ৪৬৩ রানে।
