সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

তাইওয়ানে ভূমিকম্পে নিহত ৯, আটকা পড়েছেন ১২৭

আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০২৪, ০২:৪২ এএম

তাইওয়ানে আঘাত হেনেছে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প। গত পঁচিশ বছরের মধ্যে এটি সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প। এতে কমপক্ষে ৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৭০০ জনেরও বেশি। ভূমিকম্পের পর ১২৭ জন আটকা পড়েছেন যার মধ্যে অন্তত ৭৭ জন একটি সুড়ঙ্গে আটকা পড়েছেন। সুড়ঙ্গে আটকেপড়াদের নিয়ে শঙ্কা বাড়ছে। গতকাল বুধবার সকালের দিকে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। মূল ভূখ- চীনের পাশাপাশি ফিলিপাইন ও জাপানেও কম্পন অনুভূত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, তাইওয়ান দ্বীপের পূর্ব উপকূলে আঘাত হানা ভূমিকম্পটি ছিল ৭.৪ মাত্রার। ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র ছিল দ্বীপের হুয়ালিয়েন শহর থেকে ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণে। ভূপৃষ্ঠের ১৫ দশমিক ৫ কিলোমিটার গভীরে ছিল এর কেন্দ্র।

তবে জাপানের আবহাওয়া দপ্তর দাবি করেছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ৭.৭ ছিল। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় ওকিনাওয়ায় কিছু অংশে সুনামির বেশ কয়েকটি ছোট ঢেউ পৌঁছেছে। অন্যদিকে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম জানিয়েছে, ফুজিয়ান প্রদেশে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়েছে।

তাইওয়ান কর্তৃপক্ষ জানায়, ১৯৯৯ সালে ৭.৬ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে তাইওয়ানে। ওই ঘটনায় প্রায় আড়াই হাজারের মতো মানুষ নিহত হয়। ধ্বংস হয় ৫০ হাজারের মতো ভবন। ওই ভূমিকম্পের পর গতকালেরটি সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প। ভূমিকম্পে আহতের সংখ্যা ৭৩৬ জনে দাঁড়িয়েছে।

তাইওয়ান থেকে বিবিসির একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ভূমিকম্পের পর মানুষ যেসব সুড়ঙ্গে আটকা পড়েছেন সেগুলো সুহুয়া মহাসড়কে অবস্থিত। তাইওয়ানের পূর্ব উপকূলবর্তী এলাকাগুলো বেশ বিপদসংকুল। ৫০ কিলোমিটার বিস্তৃত সড়কের কয়েকটি সুড়ঙ্গে মানুষ আটকা পড়তে পারেন। সম্ভবত দুটি সুড়ঙ্গে আটকে পড়তে পারেন পর্যটকরা। তাদের অবস্থা এখনো অজানা।

ঘটনার পর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ভূমিকম্পের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। অনেক ভবনকে হেলে যেতে দেখা গেছে এসব ছবিতে। অনেক জায়গার মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। কোথাও কোথাও ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এ পর্যন্ত ৫০টিরও বেশি পরাঘাত রেকর্ড করা হয়েছে। ভূমিকম্পের পর জাপান ও ফিলিপাইনে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয় যা পরে তুলে নেওয়া হয়।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত