শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

গরমে কলা খাবেন নাকি পেঁপে?

আপডেট : ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৪৭ পিএম

এপ্রিল মাসের শুরু থেকে গরমের দাপট বেড়েই চলেছে। আর তার সঙ্গে তালে তাল মিলিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে গ্যাস, অ্যাসিডিটি, ডায়ারিয়া, বমি বমি ভাব, বমির মতো পেটের সমস্যায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। তাই এই সময়টায় অনেকেই পেট ঠান্ডা রাখতে কলা কিংবা পেঁপে খেয়ে থাকেন। কিন্তু প্রশ্ন হল, এই দুটি ফলের মধ্যে কোনটা খেলে পেটের সমস্যা থাকবে দূরে? 

কলার বিকল্প নেই​

কলায় রয়েছে ভিটামিন বি৬, ম্যাগনেশিয়াম, ফাইবার, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ থেকে শুরু করে একাধিক জরুরি ভিটামিন ও খনিজ। তাই শরীর ও স্বাস্থ্যের হাল ফেরাতে চাইলে নিয়মিত কলা খেতেই হবে। শুধু তাই নয়, এই ফল নিয়মিত খেলে সুস্থ থাকবে হার্ট। সেই সঙ্গে কিডনির হালও ফিরবে বৈকি! এমনকী নিয়মিত কলা খেলে মনও ভালো হয়ে যাবে। 

পাকা পেঁপেরও জুড়ি মেলা ভার​

পেঁপে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি-এর খনি। শুধু তাই নয়, পাকা পেঁপে হল অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভাণ্ডার। তাই দেহে প্রদাহের প্রকোপ কমাতে চাইলে আপনাকে নিয়মিত পেঁপে খেতেই হবে। এমনকী এই পাকা ফলের গুণে হার্ট, পেট সহ দেহের একাধিক অঙ্গের স্বাস্থ্যের হাল ফিরবে বৈকি! তাই আর সময় নষ্ট না করে নিয়মিত পাকা পেঁপে খাওয়া শুরু করে দিন। 

পাকা পেঁপে নাকি কলা?​

পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাকা পেঁপেতে রয়েছে প্যাপাইন নামক একটি উপাদান যা পেটের সমস্যা প্রতিরোধের কাজে সিদ্ধহস্ত। এমনকী এই উপাদান খাবার হজমেও সাহায্য করে। অপরদিকে আবার কলায় রয়েছে ফাইবারের খনি যা কিনা অন্ত্রের হাল ফেরানোর কাজে সিদ্ধহস্ত। তাই পেটের সমস্যায় চাইলে এই দুই ফল নিয়ম করে খেতে পারেন। তবে এই দুইয়ের মধ্যে কোনো একটিকে বেছে নিতে বললে পেঁপের অপেক্ষা অবশ্যই কলা এগিয়ে থাকবে বলে অনেক পুষ্টিবিদরা মনে করেন।

কতটা খাবেন?​

একজন সুস্থ-স্বাভাবিক ব্যক্তির সারা দিনের ডায়েটে ১৫০ থেকে ২০০ গ্রাম ফল রাখা উচিত। আর তার মধ্যে ১০০ গ্রাম কলা এবং ৭৫ গ্রাম পেঁপে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খেতে পারেন। তাতেই উপকার পাবেন হাতেনাতে।

কারা খাবেন না?​

কলার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স অনেকটাই বেশি। তাই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া ডায়াবেটিস রোগীরা কলা খাবেন না। শুধু তাই নয়, কলায় রয়েছে হিস্টামিন নামক একটি উপাদান যা কিনা কফ তৈরি করে। তাই সর্দি-কাশিতে কলা এড়িয়ে চলাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। অপরদিকে পেঁপেতে রয়েছে প্যাপাইন নামক একটি উপাদান যা কিনা প্রেগন্যান্সিতে একাধিক সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই গর্ভাবস্থায় যেন তেন প্রকারেণ পাকা পেঁপে এড়িয়ে চলুন। 

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত