নোবেল বিজয়ী ও গ্রামীণ কৃষি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট আট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রংপুর শ্রম আদালতে করা মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেয়।
রুলে কেন এ মামলার কার্যক্রম বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট। মামলার বাদী গ্রামীণ কৃষি ফাউন্ডেশনের সাবেক সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার গোলাম মোস্তফা ও রংপুর শ্রম আদালতের চেয়ারম্যানকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।
আইনজীবীদের তথ্যমতে, গ্রামীণ কৃষি ফাউন্ডেশন থেকে কর্মজীবন শেষে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অবসরে যান গোলাম মোস্তফা। তার প্রাপ্য সুবিধা হিসেবে ১৬ লাখ ২৭ হাজার টাকা দাবি করে তা পেয়ে একই বছরের ২০ ডিসেম্বর রংপুর শ্রম আদালতে মামলা করেন তিনি। এ মামলার কার্যক্রম বাতিল চেয়ে ২০২২ সালে রংপুরের শ্রম আদালতে আবেদন করলে সেটি খারিজ হয়ে যায়। পরে এ মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামসুদ্দোহা এ রিট আবেদনটি করেন।
ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘শ্রম আইন অনুযায়ী, কোনো প্রতিষ্ঠানে যে কর্মকর্তার প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা আছে তিনি শ্রমিক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন না। কিন্তু এ মামলায় যিনি বাদী হয়েছেন তিনি একজন সিনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা। সংগত কারণ ও আইন অনুযায়ী তাকে প্রতিকার পেতে দেওয়ানি আদালতে যেতে হবে। আমরা এসব যুক্তি হাইকোর্টে তুলে ধরেছি। আদালত ওই মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছেন।’
