প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমাল উপকূল জুড়ে রেখে গেছে তার ক্ষতচিহ্ন। রিমালের আঘাতে দেশের উপকূলীয় ছয় জেলায় অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এ ঝড়ে উপকূলীয় জেলাগুলোতে ৩৫ হাজারের বেশি ঘরবাড়ি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে। আর আংশিক ক্ষতি হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৯০০ ঘরবাড়ির। সব মিলিয়ে ঝড়ে উপকূলের ৩৭ লাখ ৫৮ হাজারের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝড়ে উপড়ে পড়েছে হাজার হাজার গাছপালা। ভাসিয়ে নিয়ে গেছে শত শত ঘের-পুকুরের মাছ। আর জোয়ারের পানিতে বেড়িবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে হাজার হাজার গ্রাম। এতে লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ঘূর্ণিঝড় রিমাল গত রবিবার রাতে উপকূল অতিক্রম করলেও এর প্রভাবে গতকাল সোমবারও উপকূলীয় এলাকাসহ দেশের প্রায় অধিকাংশ অঞ্চলে দিনভর বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া বয়ে যায়। এমনকি আজ মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত রাজধানীসহ দেশের বেশিরভাগ এলাকায় এই ঝড়ের প্রভাবে দমকা হাওয়ার পাশাপাশি প্রবল বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে দেশের বড় একটি অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। কয়েক কোটি মানুষ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তবে ধীরে ধীরে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। যদিও গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় পৌনে তিন কোটির বেশি গ্রাহক বিদ্যুৎ সুবিধার বাইরে ছিল।
অন্যদিকে বিদ্যুৎ না থাকা এবং ঝড়ের প্রভাবে দেশের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক টাওয়ারের প্রায় ৪৯ শতাংশ অচল হয়ে পড়ায় ওইসব এলাকায় মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে দুর্যোগপূর্ণ এলাকার মানুষরা চরম বিপাকে পড়ে। রবিবার রাত থেকেই অনেকে ফোনে আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিল না।
এদিকে ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে রবিবার রাত থেকে গতকাল দিনভর উপকূলীয় অঞ্চলগুলো ছাড়াও দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে বৃষ্টি হয়। এতে রাজধানী ঢাকা ও বন্দরনগরী চট্টগ্রামসহ অনেক শহরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়, দেখা দেয় যানবাহন সংকট। বৃষ্টির সঙ্গে দিনভর ঝড়ো হাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বিশেষ করে খেটে খাওয়া লোকজন পড়ে বেশি বিপাকে।
ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতির মুখে পড়েছে উপকূল ও আশপাশের ১৯ জেলা। এগুলো হলো সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, বরিশাল, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, বরগুনা, ভোলা, ফেনী, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নড়াইল, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর ও যশোর। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান গতকাল বিকেলে সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে খুলনা, সাতক্ষীরা, বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা ও চট্টগ্রামে ১০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
ঘূর্ণিঝড় রিমাল গত রবিবার রাত ৮টার দিকে মোংলার দক্ষিণ-পশ্চিম দিক দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ উপকূল ও বাংলাদেশের খেপুপাড়া উপকূল অতিক্রম শুরু করে। এ ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, বরগুনাসহ উপকূলের বিভিন্ন জেলায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যায়। রাত দেড়টা থেকে ২টার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১১১ কিলোমিটার গতিতে বাতাস বয়ে যায় পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায়।
সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে ১৯ জেলার ১০৭টি উপজেলার বাসিন্দারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৩৭ লাখ ৫৮ হাজারের বেশি। সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে ৩৫ হাজার ৪৮৩টি ঘরবাড়ি। এ ছাড়া আংশিকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৯২টি ঘরবাড়ি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য ৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি জেলায় নগদ সহায়তার ৩ কোটি ৮৫ লাখ টাকা, ৫ হাজার ৫০০ টন চাল, ৫ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার, শিশুখাদ্য কেনার জন্য ১ কোটি ৫০ লাখ, গোখাদ্য কেনার জন্য ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ঘূর্ণিঝড় সতর্কতার পরিপ্রেক্ষিতে উপকূলীয় এলাকাগুলোতে ৯ হাজার ৪২৪টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্র ও স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আট লাখের বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। গরু, মহিষ, ছাগল-ভেড়াসহ আশ্রিত পশুর সংখ্যা ৫২ হাজার ১৪৬। এ ছাড়া দুর্গত মানুষকে চিকিৎসাসেবা দিতে ১ হাজার ৪৭১টি মেডিকেল দল গঠন করা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে উপকূলীয় জেলা ভোলায় ঘরচাপা পড়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার রাতে লালমোহন উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নে ঘরের নিচে চাপা পড়ে মনেজা খাতুন নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়। আর গাছ উপড়ে পরে দৌলতখান পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মাইশা নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ভোলার মেঘনা ও সাগর মোহনার পানি স্বাভাবিকের তুলনায় গতকাল ১০ থেকে ১২ ফুট উচ্চতায় প্রবাহিত হয়। এতে চরাঞ্চলের অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের তা-বে দুই শতাধিক কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। পুরো জেলার বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। লঞ্চ ও ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় সারা দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
খুলনার উপকূলীয় তিন উপজেলায় অন্তত ছয়টি স্থানে বেড়িবাঁধ ভেঙে গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া অর্ধশত পয়েন্ট দিয়ে বাঁধ উপচে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করেছে। প্লাবিত হয়েছে অন্তত ১০ থেকে ১২টি গ্রাম। পানিতে ভেসে গেছে ফসলের মাঠ ও মৎস্য ঘের। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাঁচা-আধাপাকা বাড়িঘর। উপড়ে পড়েছে শত শত গাছপালা। গাছ পড়ে বটিয়াঘাটায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে ভারী বৃষ্টিতে মহানগরী খুলনার অধিকাংশ সড়ক ও নিম্নাঞ্চল পানিতে ডুবে যায়। অনেক বাড়ির নিচতলা ও দোকানঘরও পানিতে নিমজ্জিত হয়। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে জেলা সদরসহ উপকূলীয় এলাকায় বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে।
পটুয়াখালীর বাউফলে রবিবার রাতে পরিত্যক্ত টিনশেড দোতলা ঘরচাপা পড়ে আ. করিম হাওলাদার নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।
বরগুনায় প্লাবিত হয়েছে তিন শতাধিক গ্রাম। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে ছয়টি উপজেলা। অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে গেছে জেলার চারটি পৌরসভাসহ নিম্নাঞ্চল। এ ছাড়া বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকে প্লাবিত হয়েছে গ্রামের পর গ্রাম। জলোচ্ছ্বাসে ভেসে গেছে মাছের ঘের, নষ্ট হয়েছে ফসলি জমি। ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। ভোগান্তির শেষ নেই বানভাসি মানুষের।
জলোচ্ছ্বাসে বাঁধ ভেঙে ও উপচে বাগেরহাটের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ঝড়ে জেলার ৭৫টি ইউনিয়নে ১০ হাজারের বেশি কাঁচা-পাকা বাড়িঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে ৩৫ হাজার ঘরবাড়ি। জেলায় মাছের ঘের ভেসে গেছে ২০ হাজারের বেশি। তাতে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ১০০ কোটি টাকা। জোয়ারের পানি ঘরবাড়িতে উঠে পানিবন্দি হয়েছে কয়েক হাজার পরিবার।
ঝালকাঠির সুগন্ধা ও বিষখালী নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ৭-৮ ফুট বেড়েছে, যা বিপদসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এমনকি জেলা শহরের অলিগলির বাসাবাড়ি ও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি প্রবেশ করেছে। বেশ কয়েকটি প্রধান সড়কও পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। জেলার চার উপজেলার তিন শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ফলে এসব এলাকার লক্ষাধিক মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। এ ছাড়া তলিয়ে গেছে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ ও মাদ্রাসা।
পটুয়াখালীর উপকূল জুড়ে রিমাল রেখে গেছে তার ক্ষতচিহ্ন। কেড়ে নিয়েছে শরীফ নামে এক যুবকের প্রাণ। উপড়ে ফেলেছে কয়েক হাজার গাছপালা। ভেঙে গেছে প্রায় হাজারের বেশি কাঁচা ঘরবাড়ি। উড়িয়ে নিয়ে গেছে শতাধিক ঘরের টিনের চাল। ভাসিয়ে নিয়ে গেছে কয়েকশ ঘের-পুকুরের মাছ। উচ্চ জোয়ারের পানিতে বেড়িবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে অন্তত ৩০টি গ্রাম। বিদ্যুৎহীন হয়ে আছে জেলার উপকূলীয় সব উপজেলা।
কক্সবাজারে সাগরে জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ৩-৪ ফুট বৃদ্ধি পেয়ে জেলার উপকূল ও নিম্নাঞ্চলের অর্ধশত গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। সৈকতের শতাধিক দোকান ভেঙে গেছে।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে রবিবার মধ্যরাত থেকে মাদারীপুরে থেমে থেমে বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া বইছে। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে।
ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার স্বাভাবিকের চেয়ে ৭-৯ ফুট উচ্চতায় জোয়ার আসায় পানি ঢুকে যায় লোকালয়ে। মাছের ঘেরসহ ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সোনাগাজীতে গাছ পড়ে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। জেলায় পল্লীবিদ্যুতের চার লাখ গ্রাহক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলাসহ আশপাশে বেশ কিছু অঞ্চলে বিদ্যুৎ ছিল ১২ ঘণ্টার বেশি সময়।
চাঁদপুরের পুরান বাজার হরিসভা মন্দির এলাকায় শহররক্ষা বাঁধের অন্তত ২০ মিটার মেঘনা নদীতে দেবে গেছে। দিনভর টানা বৃষ্টিপাত ও মেঘনার উত্তাল ঢেউয়ে গতকাল বিকেলে বাঁধে ভাঙন ধরে।
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে গাছপালা পড়ে বিদ্যুতের তার ও খুঁটি ভেঙে অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট, লাকসাম, মনোহরগঞ্জ, লালমাই, বড়ুয়া ও চৌদ্দগ্রামে প্রায় পাঁচ লাখ পল্লীবিদ্যুৎ গ্রাহক অন্ধকারে রয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-৪।
ঝড়বৃষ্টি চলবে আজও : দেশের উপকূলে আঘাত হানার এক দিন পরও ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাব কাটেনি। আজ মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত রাজধানীসহ দেশের বেশিরভাগ এলাকায় এই ঝড়ের প্রভাবে দমকা হাওয়ার পাশাপাশি প্রবল বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়া ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রিমালের প্রভাব অন্তত ৪৫ ঘণ্টা থাকতে পারে। বাতাসের গতি কমে এলেও এর সঙ্গে প্রচুর মেঘ আসছে, যা ঘূর্ণিঝড়ের পর প্রবল বৃষ্টি ঝরাচ্ছে।
টানা বৃষ্টিতে এরই মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে মানুষের চলাচলে ভোগান্তি হচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঘূর্ণিঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের উপপরিচালক মো. শামীম আহসান গতকাল বিকেলে এক ব্রিফিংয়ে জানান, ঘূর্ণিঝড়টি স্থল নিম্নচাপ হিসেবে আজকের পর সিলেটের ওপর দিয়ে দেশের বাইরে চলে যাবে। এটি ওপরে উঠবে এবং এর প্রভাবে উজানে ভারতের আসাম ও মিজোরামে বৃষ্টি ঝরবে।
চট্টগ্রাম ব্যুরো, সংশ্লিষ্ট এলাকার নিজস্ব প্রতিবেদক এবং জেলা-উপজেলার প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে প্রতিবেদনটি তৈরি
