এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হবে ২ জুন ভোর থেকে। তবে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ডালাসে, ৮ জুন ভোরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। দেশের পূর্ণ অধিনায়ক হিসেবে নাজমুল হোসেন শান্তর বিশ্বকাপ যাত্রাও শুরু হবে সেদিন থেকে। অধিনায়ক শান্তর দৃষ্টিতে দল হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ‘অনেক ভালো করা’ই লক্ষ্য বাংলাদেশের।
বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে বিসিবির নিয়মিত সিরিজ গ্রিন রেড স্টোরিতে উপস্থিত হয়ে শান্ত খুলে বলেছেন অনকে কথা। অধিনায়ক হিসেবে দেশকে বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দিতে পারা প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘প্রত্যেক ক্রিকেটারেরই স্বপ্ন থাকে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করা। তারপর যদি বিশ্বকাপের মতো আসরে এ ধরনের সুযোগ আসে, তাহলে সেটি অনেক গর্বের ব্যাপার।’
নিজের লক্ষ্যের কথাও জানিয়েছেন শান্ত, ‘এ সময়টা উপভোগ করতে চাই। দলের জন্য প্রতিদিন কিছু না কিছু করতে চাই। যে দায়িত্ব আছে, সেটা ঠিকভাবে পালন করতে চাই। অধিনায়ক হওয়ায় দায়িত্ব বেড়ে গেছে—এভাবেও ভাবতে চাই না। প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করতে চাই। প্রতিদিন দলকে যেন কিছু একটা দিতে পারি, এটাই মূল লক্ষ্য থাকবে।’
সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মতো দুই অভিজ্ঞ সাবেক অধিনায়ককে নিজের দলে পেয়েছেন শান্ত। তাদের নিয়ে বলেন, ‘এটা অনেক বড় প্লাস পয়েন্ট মনে হয় আমার কাছে। এমন ক্রিকেটার যখন দলে থাকে, বিশেষ করে যাঁরা তরুণ, অনেকেই আছে প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবেন—তাদের জন্য অনেক অনুপ্রেরণা দেবে মনে হয়। পাশাপাশি তাদের তো অধিনায়কত্ব করার অভিজ্ঞতাও আছে। আশা করি কঠিন সময়ে কোনো সাহায্য দরকার হলে তারা করবেন এবং এখন সেটাই করছেন। বিশ্বকাপে এর ব্যতিক্রম হবে না বলেই আমি আশা করি।’
শান্ত আবদার রেখেছেন সাকিব আল হাসানের কাছে, ‘আলাদাভাবে যদি বলেন, আমি বলব যে সাকিব ভাই তার অভিজ্ঞতা সব ক্রিকেটারের সঙ্গে ভাগ করে নেবেন। তিনি গত বছরগুলোয় যে যে অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছে, সেসব তরুণদের মধ্যে ছড়িয়ে দিলে তারা অনেক উপকৃত হবে এবং এরই মধ্যে সেটা তিনি করছেন।’
বিশ্বকাপে অধিনায়ক শান্তর প্রথম স্মৃতিটা হোক মনে ধরে রাখার মতো। টাইগার সমর্থকদেরও সেই একই প্রত্যাশা।
মেসি না থাকলেও আর্জেন্টিনাই ফেভারিট: এনদ্রিক
ভক্তদের আবদার মেটালেন ‘ব্যাকআপ’ বিজয়
ভারতের কোচ হতে চান নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ!