সুনামগঞ্জে বন্যার আশঙ্কা: নিচু স্থানের বাসিন্দারা উঁচু স্থানে বাসা খুঁজছেন

আপডেট : ৩১ মে ২০২৪, ০৬:৫৬ পিএম

সুনামগঞ্জে টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে দ্রুত গতিতে বাড়ছে সকল নদ-নদীর পানি। এতে প্রতিনিয়ত আতঙ্কে সময় পার করছেন জেলার ২৫ লাখেরও বেশি মানুষ। সেই সাথে ঢলের পানিতে যেকোনো সময় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পাঁচ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়তে পারেন।

জানা যায়, জেলার ছাতক উপজেলার সুরমা নদীর পয়েন্ট দিয়ে নদীর পানি বিপদসীমার ৪৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত এই উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়নি। প্রতি বছরই এ জেলায় অতি বৃষ্টির সময় ভারতের মেঘালয় রাজ্যের চেরাপুঞ্জি থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বন্যার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

ভারতের চেরাপুঞ্জিতে বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের সুরমা, কুশিয়ারা, রক্তি, বৌলাই ও যাদুকাটা নদীর পানি দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে  চরম দুশ্চিন্তায় সময় পার করছেন হাওর অঞ্চলের মানুষরা। নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে নিচু স্থানের বাসিন্দারা উঁচু স্থানে বাসা খুঁজছেন এবং শহরের মানুষ এক তলা থেকে দুই তলা বাসায় উঠার জন্য আসবাবপত্র নিয়ে যাচ্ছেন।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডে জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জে ৭০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ দিকে ভারতের মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে ৬৭০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। ফলে সুনামগঞ্জের নদ-নদীর পানি ২৮ সেন্টিমিটার মিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৫৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সুনামগঞ্জ পানি বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার দেশ রূপান্তরকে জানান, সুনামগঞ্জে নদ-নদীর পানি বাড়ছে। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ জেলার অনেক হাওর এখন খালি আছে সেখানে গিয়ে পানি জমবে। তবে জেলায় বন্যার আশঙ্কা নেই।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত