২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ ফিরিয়ে আনায় বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় বইছে। আর এ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।
শুক্রবার (৭ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অর্থ মন্ত্রণালয় আয়োজিত বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করা হয়- পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ ১৫ শতাংশ কর দিলে তার অপ্রদর্শিত সম্পদ বৈধ হবে কিনা।
এমন প্রশ্নের জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, এটা তো ফৌজদারি প্রক্রিয়া বা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে পড়ে গেছে, এ ধরনের প্রক্রিয়ায় কীভাবে বৈধ হয়ে যাবে। এটা তো এখন আদালতের এখতিয়ারে আছে।
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ব্যবসায়ী ছাড়াও জনসাধারণ দাবি করেছিল বলে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের কাছে তথ্য ছিল যে কয়েকজন ব্যবসায়ী অডিট সংক্রান্ত সমস্যার কারণে তাদের সব সম্পদ প্রদর্শন করতে পারেননি। সেজন্য আমরা এ প্রস্তাব দিয়েছি। সংসদে এ বিষয়ে আলোচনা হবে এবং সংসদ সদস্যরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
গতকাল অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী সংসদে আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন। প্রস্তাবনা অনুযায়ী, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কোনো প্রশ্ন ছাড়াই অঘোষিত সম্পদ বৈধ করার মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ পাবে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, কোম্পানি ও করদাতারা নগদ, ব্যাংক আমানত, আর্থিক সিকিউরিটিজ বা অন্য কোনো ধরনের সম্পদের ওপর ১৫ শতাংশ কর দিলে এর উৎস সম্পর্কে সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান কোনো প্রশ্ন তুলতে পারবে না। এছাড়াও, নির্দিষ্ট ট্যাক্স দেওয়ার মাধ্যমে অপ্রদর্শিত জমি, ভবন, ফ্ল্যাট বা বাণিজ্যিক স্থানকে বৈধ করে নেওয়া যাবে।
সবাইকে সর্বজনীন পেনশনে যুক্ত করা হবে: অর্থমন্ত্রী
কোরবানির ঈদে মিলতে পারে ৯ দিনের ছুটি