রাত পেরোলেই ঈদ। তবে ঈদ নিয়ে বিশেষ করে তেমন কোনো পরিকল্পনা নেই তানজিন তিশার। বাবা ছাড়া ঈদ তার কাছে বিষণ্ণ মনে হয়। তবুও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে ঈদটা পালন করবেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী।
দেশ রূপান্তরের সঙ্গে আলাপকালে তানজিন তিশা বললেন, ‘প্রতি ঈদে তো গ্রামের বাড়ি (শরীয়তপুর) যাওয়া হয়। এবার যাওয়া হচ্ছে না। এবার ঢাকাতেই ঈদ করা হবে পরিবারের সঙ্গে। পরিবারকে সময় দেব। কিছুদিন ছুটি কাটিয়ে আবার কাজে ফিরব শিগগিরই।’
বাবাকে হারিয়েছেন দুই বছর হলো। সেই স্মৃতি স্মরণ করে এই অভিনেত্রী বলেন ,‘আব্বু নেই দুই বছর। উনাকে ছাড়া ঈদ কেন সব আনন্দই অসম্পূর্ণ লাগে আমার কাছে। ছোটবেলায় প্রতি ঈদে আব্বু সবসময় আমাকে সারপ্রাইজড করতেন। এটা সেটা বিভিন্ন কিছু গিফট করতেন, কিনে দিতেন। ওই মুহূর্তটাই বারবার মনে পড়ে এখন। খুব মিস করি আব্বুকে।’
ঈদ এলেই একটা প্রসঙ্গ চলে আসে, আর সেটা হলো ঈদি বা সালামি। এই ঈদি প্রসঙ্গে তানজিন তিশা বলেন, ‘ঈদি পেতে আমার খুব ভালো লাগে এবং সেটা এখনও। আমি তো আমাদের বংশের ছোট মেয়ে, সবাই আমাকে অনেক বেশি আদর করে এবং ঈদিও পাই সবার থেকে বেশি। এই বিষয়টা বেশ মজার। আমার খুব ভালো লাগে। তবে আমিও দেই ছোটদেরকে।’
কিছুদিন আগেই ওটিটি প্লাটফর্মে উন্মুক্ত হয়েছে এই অভিনেত্রীর নতুন ওয়েব ফিল্ম ‘পয়জন’। মুক্তির পর দারুণ সাড়া পাচ্ছেন বলে জানালেন তিনি। অভিনেত্রীর ভাষ্যে, খুব খুব ভালো সাড়া পাচ্ছি। কাজটি সবাই বেশ পছন্দ করেছেন। যতটা প্রত্যাশা করেছিলাম তার চেয়েও কয়েক গুণ বেশি সাড়া পাচ্ছি। সত্যি আই অ্যাম ব্লেসড।
কাজটি করতে গিয়ে প্রচুর স্টাডি করতে হয়েছে তানজিন তিশাকে। দেখেছেন প্রচুর সিনেমা, সিরিজ এমনকি আশেপাশের তারকাদের থেকেও কিছুটা ধারণা নিয়েছেন। বললেন, ‘চরিত্রটার মধ্যে দুইটা লেয়ার ছিল। একটা চরিত্রে থেকে সেটার মধ্যে আবার নেগেটিভ চরিত্রে উপস্থাপন করা বেশ কঠিন। আমাকে বেশ স্টাডি করতে হয়েছে এর জন্য। অনেক হলিউড-বলিউড সিনেমা, সিরিজ দেখেছি। তারপর সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নিয়ে কাজটি করেছি। উপভোগ করেছি। দর্শকেরা কাজটিকে পছন্দ করেছেন এতেই আমি আনন্দিত।’
জানা গেছে, ঈদুল আজহায় চার থেকে পাঁচটি নাটকে দেখা যাবে তানজিন তিশাকে।
তাদের চ্যালেঞ্জের কাছে আমারটা কিছুই না