অত্যাধুনিক সামরিক সাবমেরিন ও ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম নৌযান ক্রয় সংক্রান্ত দুর্নীতিতে ফেঁসে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ক্ষেত্রে।
সোমবার (২৪ জুন) দেশটির দুর্নীতি দমন সংস্থা নেতানিয়াহুর উদ্দেশে এই সতর্কবার্তা ইস্যু করেছে। খবর টাইমস অব ইসরায়েল।
লিখিত বিবৃতিতে তদন্ত কমিটি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত অনুসন্ধান ও তদন্তে ক্রয় সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সাবমেরিন ও নৌযান নিয়ম মেনে কেনা হয়নি।
এসব সাবমেরিন এবং নৌযান কেনা হয়েছিল ২০০৯ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে কেনা হয়েছিল। সে সময় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নেতানিয়াহু।
তদন্ত কমিটি বলছে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী এসব সাবমেরিন ক্রয়ের জন্য সবুজ সঙ্কেত দিয়েছিলেন। এমনকি এই ক্রয়ের ক্ষেত্রে নিজের পদ ও ক্ষমতার ব্যবহারও করেছিলেন তিনি। এর মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্রের নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছেন। একইসাথে ইসরায়েলের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন
কমিটি জানিয়েছে, শিগগিরই এ ঘটনায় জনসম্মুখ্যে প্রকাশের উপযোগী যাবতীয় তথ্য প্রকাশ করা হবে।
তবে তদন্ত কমিটির সতর্কবার্তার প্রতিক্রিয়াও জানিয়েছেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেছেন, ‘এসব সাবমেরিন ও নৌযান ইরান থেকে সুরক্ষা নিশ্চিতের জন্য কেনা হয়েছিল, যারা আমাদের ধ্বংস করে দিতে চাইছে।‘
তিনি আরও বলেন, ‘ইতিহাস প্রমাণ করবে, ইসরাইলের নিরাপত্তার স্বার্থে এখন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু যত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন,সবগুলোর মতো এসব সাবমেরিন ও যুদ্ধ নৌযান কেনার সিদ্ধান্তও সঠিক ছিল।
নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অবশ্য নতুন নয়। ইসরায়েলের আদালতে বর্তমানে তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
ইসরায়েলের বর্তমান দুর্নীতি দমন সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ২০২২ সালে। সে সময় ক্ষমতায় ছিলেন না বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
৩ ছেলের পর এবার পরিবারের ১০ সদস্যকে হারালেন হামাস নেতা হানিয়াহ