বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

কুপ্রস্তাব পেলে যা করবেন ঋত্বিকা

আপডেট : ১০ জুলাই ২০২৪, ০৭:২৫ পিএম

২০১৪ সালে ‘বরবাদ’ সিনেমার মাধ্যমে নায়িকা হিসেবে অভিষেক ঘটে ঋত্বিকার। প্রথম সিনেমাতেই বাজিমাত করেন। তারপর ‘আরশীনগর’, ‘রাজা রাণী রাজী’, ‘জিও পাগলা’, ‘ভিলেন’, ‘বাঘ বন্দি খেলা’, ‘শাহজাহান রিজেন্সি’-এর মতো সিনেমা উপহার দেন তিনি। ২০২০ সালে ‘দাগালতি’ সিনেমার মাধ্যমে তামিল ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে অভিষেক ঘটে ঋত্বিকার।  

তবে এখন সেভাবে ভারতীয় বাংলা সিনেমায় দেখাই মিলছে না ঋত্বিকার! তাহলে কোথায় হারালেন ২৬ বছর বয়েসি এই নায়িকা?

একটি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ঋত্বিকা সেন। এ আলাপচারিতার শুরুতে জানতে চাওয়া হয়, টলিপাড়া থেকে কি হারিয়ে গেলেন? আপনাকে কেন এত কম দেখা যাচ্ছে? এ প্রশ্নের জবাবে ঋত্বিকা সেন বলেন, ‘এই প্রশ্নটা আমাকেই কেন? আরো অনেককেই তো সেভাবে দেখা যাচ্ছে না।’ 

বেশ কটি পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে ঋত্বিকা সেন বলেন, “এই প্রশ্নটা বোধহয় চলচ্চিত্র জগতের নির্মাতাদের করা উচিত, তাই না? বাংলায় আরো ভালো কাজ হওয়া দরকার। সেই ধরনের সিনেমা কোথায় হচ্ছে? তেমন কোনো কাজের প্রস্তাব পেলে নিশ্চয়ই করব। ভালো গল্প সেভাবে তো দেখতেই পাচ্ছি না। বহু দিন পর একটা ভালো সিনেমা দেখলাম, ‘অযোগ্য’। একটা সময় মানুষ সিনেমার জন্যই বাঙালিকে চিনত। সেই জায়গায় এখন বাঙালি অভিনেতাদের ভালো কাজের সুযোগ কমেছে তো বটেই!”

 পার্টিতেও সেভাবে দেখা যায় না ঋত্বিকাকে। কারণ ব্যাখ্যা করে এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি পার্টি করতে ভালোবাসি না। নিজের সঙ্গে সময় কাটাতে সবচেয়ে ভালো লাগে। তবে হ্যাঁ, মানুষের সঙ্গে কথা বলতে ভালোবাসি। মাঝে মধ্যে বাধ্য হয়ে গিয়েছি কিছু পার্টিতে। তবে এখন মানুষকে ‘না’ বলতেও শিখছি।”

‘না’ বলতে না জানলে ইন্ডাস্ট্রিতে নানারকম প্রস্তাবের সম্মুখীন হতে হয়? এ প্রশ্ন শুনেই ঋত্বিকা সেন বলেন, “আমি অনেক ছোট থেকে কাজ করছি। তাই আমাকে অনেকেই চেনেন। নতুনদের কাছে হয়তো ‘কাস্টিং কাউচ’-এর প্রস্তাব আসতে পারে। কিন্তু আমাকে এই ধরনের প্রস্তাব দিলে আমি কী উত্তর দিতে পারি, তা সবারই জানা। সেই জন্য আমাকে কেউ এই ধরনের প্রস্তাব দেন না।”

পরিকল্পিতভাবে বাংলা সিনেমা থেকে দূরে থাকছেন ঋত্বিকা— বিষয়টি আসলে তা নয়। দক্ষিণী সিনেমার কাজ নিয়ে বেশ ব্যস্ত। কিন্তু বাংলা সিনেমার কাজই বেশি করতে আগ্রহী তিনি।

এ বিষয়ে ঋত্বিকা সেন বলেন, ‘দু’টি ইন্ডাস্ট্রির সবই প্রায় একই রকম। ভাষাটা অন্য হয়তো। তবে হ্যাঁ, পারিশ্রমিক ওখানে অনেকটাই বেশি। এতে লুকোনোর কিছু নেই। বাংলার শিল্পীরা সত্যিই খুব প্রতিভাবান। পেশাদারিত্বের বিষয়ে অবশ্য কিছু বলতে পারব না। আমার কাছে দক্ষিণে কাজ করার প্রস্তাব আসার পর গল্প ও চরিত্র ভালো লেগেছিল বলে রাজি হই। যদিও ওখানে আমি বাংলারই প্রতিনিধিত্ব করি। ওখানে আমাকে সবাই বাঙালি অভিনেত্রী হিসেবেই চেনেন।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত