আমীর খসরু

বিএনপি ও সমমনা দলের ঐক্য নিয়ে কারও মধ্যে সন্দেহ নেই 

আপডেট : ১২ জুলাই ২০২৪, ০৬:০৫ পিএম

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিএনপিসহ সমমনা দলের মধ্যে যে ঐক্য, তা নিয়ে কারও মধ্যে সন্দেহ নেই। এই ঐক্যের পেছনে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। ৩১ দফাকে মানুষের কাছে নিয়ে যেতে পারিনি। এই ফ্যাসিস্ট সরকার চলে যাওয়ার পর তাদের জীবনে পরিবর্তন আসবে, সেই নিশ্চয়তা মানুষকে দিতে হবে। ৩১ দফার মধ্যে তা দেওয়া হয়েছে।

আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব ও রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। যুগপৎ আন্দোলনের ৩১ দফা ও ১ দফা ঘোষণার বর্ষপূর্তিতে এই সভার আয়োজন করে গণতন্ত্র মঞ্চ।

আমীর খসরু মাহমুদ বলেন, দেশের মানুষের মালিকানা হাইজ্যাক (ছিনতাই) হয়ে গেছে। মালিকানা ফিরিয়ে আনতে হলে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্য ও রাজনৈতিক বন্দোবস্তের দরকার আছে। সংবিধান, বিচার বিভাগ, সংসদ, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিতে কী কী বদল আনতে হবে সেটি গুরুত্বপূর্ণ। সে জন্যই এই ৩১ দফা প্রণয়ন।

সভাপতির বক্তব্যে গণতন্ত্র মঞ্চের সমন্বয়ক ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, আগামীর গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের রূপরেখা ৩১ দফা। সমাজের নানা অংশ জেগে উঠছে। এ লড়াইগুলো জোরদার হচ্ছে। সরকার ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ছাত্রসমাজকে আদালতের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে। মানুষ আশা করে, বিরোধী দলগুলো বড় আকারের সংগ্রাম গড়ে এই সরকারকে বিদায় দেবে।

নেতৃবৃন্দ বলেন,  সরকার কোটা বিরোধী  ছাত্র আন্দোলনকে হাইকোর্ট দেখিয়েছে; কিন্তু হাইকোর্ট সরকারকে কোটা সংস্কারের উদ্যোগ নিতে সুযোগ করে দিয়েছে। তারা বলেন, কোটা বিরোধী ছাত্র জাগরণ দমনের কোন চেষ্টা দেশবাসী গ্রহণ করবে না। তারা সরকারকে নয় ছয় বন্ধ করে অনতিবিলম্বে কোটা সংস্কারের দাবি মেনে নিয়ে এই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে বলেন। 

তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে দিল্লি আর বেইজিং দুই যায়গা থেকেই প্রায় খালি হাতে ফিরতে হয়েছে। তারা বলেন, জনম্যান্ডেটবিহীন সরকারকে কেউই যে গুরুত্ব দেয় না তা আরও একবার প্রমাণিত হল।

সভায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চৌধুরী, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম, জেএসডির সহসভাপতি তানিয়া রব, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী হাসনাত কাইয়ুম, এবি পার্টির যুগ্ম সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত