উইম্বলডন ফাইনালে খেলবেন জেসমিন পাওলিনি ও বারবোরা ক্রাইচিকোভা, তা হয়তো টুর্নামেন্ট শুরুর আগে অনেকেই ভাবেননি। সপ্তম বাছাই পাওলিনির সামনে অধরা গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের সুযোগ। এ বছর দ্বিতীয়বারের মতো খেলতে যাচ্ছেন কোনো গ্র্যান্ড স্ল্যামের ফাইনাল। এর আগে ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনালে উঠলেও হেরে যান। আর ক্রাইচিকোভা এর আগে একবার ফ্রেঞ্চ ওপেন জিতেছিলেন ২০২১-এ। তবে এবারই প্রথমবার খেলবেন উইম্বলডনের ফাইনালে। তাই আজ যিনিই জিতুন, নতুন রানি পাবে উইম্বলডন।
আজ ফাইনালে ফেভারিট কে, সেটি বলা মুশকিল। এই দুজন এর আগে মুখোমুখি হয়েছেন কেবল একবারই। ২০১৮ অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের বাছাইয়ের সেই ম্যাচে জিতেছিলেন ক্রাইচিকোভা (৬-২, ৬-১)। সংবাদ সম্মেলনে পাওলিনিকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, এক বছর আগে যদি বলা হতো আপনি উইম্বলডনের ফাইনালে খেলবেন, উত্তর কেমন হতো। পাওলিনি হাসতে হাসতে বলেন, ‘আমি বলতাম, আপনি কি পাগল।’ পাওলিনির এমন উত্তরের কারণ, শীর্ষ স্তরের টেনিসে ঘাসের কোর্টে চলতি বছরের আগে যে কোনো ম্যাচই জেতেননি তিনি।
২০১৮ সালে একবার মুখোমুখি হওয়ার সে বিষয়টি মাথায় রাখছেন না পাওলিনি। ইতালিয়ান এই টেনিস তারকা বলেন, ‘এটি উইম্বলডন ফাইনাল, তাই ভিন্ন আমেজের একটি ম্যাচ হবে।’ ফাইনালে নার্ভাস থাকতে পারেন বলেও জানান সপ্তম বাছাই পাওলিনি। ‘আমার মনে হচ্ছে কিছুটা নার্ভাস থাকব, আসলে জানি না। তবে এটুকু বলতে পারি স্বস্তি লাগছে। আমি এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে চাই না।’ নার্ভাস থাকলেও খেলায় যে তার প্রভাব পড়তে দেবেন না, সেটিও জানালেন। ‘সব সময়ই লক্ষ্য একই থাকবে, সার্ভ ঠিকমতো করা। ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে। যদিও ঘাসের কোর্টে ডিফেন্ড করাটা কঠিন।’
৩১তম বাছাই ক্রাইচিকোভা সেমিফাইনালে হারান চতুর্থ বাছাই এলেনা রিবাকিনাকে। সেমিতে এক সেট হারের পরও দারুণভাবে ফিরে আসেন ম্যাচে। ক্রাইচিকোভা আগে থেকেই ফাইনালের প্রতিপক্ষকে নিয়ে সতর্ক থাকছেন। চেক প্রজাতন্ত্রের ক্রাইচিকোভা বলেন, ‘আমি কঠিন ম্যাচ আশা করছি। আমাদের দুজনের জন্যই এটি বড় ম্যাচ। তাই লড়াইটা হবে জমজমাট।’
চেক প্রজাতন্ত্রের তৃতীয় নারী খেলোয়াড় হিসেবে উইম্বলডন জয়ের সুযোগ ক্রাইচিকোভার সামনে। ইতালির কোনো টেনিস খেলোয়াড়ই এর আগে উইম্বলডন জিততে পারেননি। ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে পাওলিনিও।
তিন পেনাল্টি মিস করে কলম্বিয়ার কাছে হেরেছিল আর্জেন্টিনা
ফিফা গেট কেলেঙ্কারির প্রসঙ্গ তুলে আগুন ঝরালেন বিয়েলসা