অ্যালঙ দ্য মেমোরি লেইন

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২৪, ১২:৩৩ এএম

মেমোরি লেইন ধরে হেঁটে এলাম অফিসে। অফিস বাংলা মোটরে। দ্য মেমোরি লেইন অব নাইনটিন নাইনটি। ‘হেঁটে এলাম’ বলার কারণ স্মৃতিটা হাঁটারই। তখন ছাত্র ছিলাম। নব্বইয়ের প্রায় পুরোটা সময় ‘মহান’ শাসক, যাকে ‘অকৃতজ্ঞ’ জনগণ স্বৈরাচার বলত, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের তেলেসমাতির যুগ ছিল। উন্নয়নের ফোয়ারা কিন্তু তিনিও বহমান রেখেছিলেন। এ ভূখন্ডে উন্নয়ন আরও অনেকেই করেছে, যেমন পাকিস্তানের প্রথম সামরিক শাসক জেনারেল আইয়ুব খান। তখন এ দেশ পূর্ব পাকিস্তান ছিল। পরে এবং জে. এরশাদের আগেও একজন উন্নয়ন করেছেন, তবে লো প্রোফাইলে। পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ আমল উন্নয়নেরই আমল। বাংলাদেশ উন্নয়নের খাস মহল, যদিও এ কথা অস্বীকৃত হয়েছে বারবার, এখনো হচ্ছে। এ ভূখন্ডে উন্নয়নের কপাল মন্দ। তারপরও উন্নয়নকে অস্বীকার করা যায় না।

এরশাদের শাসনামলের কথা আমার (এবং হয়তো সে সময়ের আরও অনেকের) স্মৃতিপটে জ্বলজ্বলে। কারণ তখন ছিল যৌবনকাল। স্মৃতির সোনালি সকাল। অনুরূপ দৃশ্যাবলি দেখে, অনুরূপ বয়সের কথা মনে পড়তেই স্মৃতির গলিপথে-অলিপথে হারিয়ে গেলাম। আহা! দারুণ এক সময়। স্বাধীনতা-পরবর্তী স্মারক এক কালখন্ড। যারা তখন বয়সী বটের ঝুরি বেয়ে উঠছিলেন তারা অনেকেই আজ প্রায় অশীতিপর; কেউ কেউ বয়সী বটের ছায়ায় গা এলিয়ে দিয়েছেন। তবু কি শতবর্ষী বটবৃক্ষে ফোকলা বুড়োর মতো কারও মুখ দেখতে পাওয়া যায় না! উড়িষ্যায় বটগাছকে বলা হয় বড় গাছ। উড়িষ্যার পদ্মশ্রী পদকপ্রাপ্ত কবি হলধর নাগ বড় গাছ নিয়ে একটি কবিতায় স্থানীয় এক মন্ত্রীর দুর্ঘটনা ঘটানো এবং ক্ষমতায় মত্ত হয়ে নিম্নবর্গের মানুষদের ভুলে যাওয়ার কথা লিখেছেন। বড় গাছ মানে উপকথার বুড়ো গাছ, বুড়োরা একসময় ফোকলা বুড়ো হয়। আর বটগাছের কান্ডে কখনো ফোকলা বুড়োর মুখাবয়ব দেখা যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যের পাশে একটা বটগাছ আছে।

স্মৃতি বেগতিক। মেমোরি ইজ ডিসেপ্টিভ। তার গতিমুখ ঠাহর করা কঠিন। কখনো ভূমিসমতলে, কখনো একশ তলার ওপরে, কখনো ভূমি ছেড়ে খেচরের পাখায় তাকে আকাশে বিচরণশীল দেখা যায়। অতীতে-বর্তমানে সদা বর্তমান; স্মৃতি ব্যক্তিভেদে ছলনাময়ীও বটে। কারও মধ্যে স্মৃতি অভিক্ষেপও তৈরি করে, তারা সাধারণত ভবিষ্যৎ বক্তা হয়ে থাকেন। এরশাদের জাঁহাবাজ শাসনকালের স্মৃতি আমার কাছে রংধনুর সাতরঙ বর্ণালিতে হাজির হয়, যদিও স্মৃতি সাদা-কালো। যেকোনো অতীতই মনের পর্দায় সাদা-কালো। স্মৃতির অদ্ভুত ব্যাকরণ! হয়তো বর্তমান থেকে অনেকটা বা কিছুটা দূরে বলে এমনটা হয়! আমার কাছে সাদা-কালো বাস্তবতা ফিরে এসেছিল একটা রিকশায় চড়ে ধানমন্ডি ২৭ নম্বর মোড়ের দিকে যাওয়ার সময়। আদাবরের বাসা থেকে বেরিয়ে বেশ কিছুটা পথ হেঁটে একটা রিকশা পেলাম। পরিস্থিতি আভাস দিচ্ছে আজ সিএনজি করে যাওয়া ঠিক হবে না। তারপরও খুঁজেছিলাম, পরিস্থিতি তারাও টের পায়। পেতেই হয়, কারণ তারা দিনমান পথেই থাকে। রিকশাতেই চেপে বসলাম, চালককে বললাম ‘শোনো ভাই, আমার কিন্তু পায়ে সমস্যা আছে। পথে থামিয়ে দিলে বা নামিয়ে দিলে আমি সমস্যায় পড়ে যাব। সাবধানে যেও ভাই।’ রিকশাচালকদের এ কথা বলা বাতুলতা মাত্র, কারণ রাস্তায় তাদের সতর্ক থাকা যাত্রীর চেয়ে কিছু অংশে কম নয়। 

ভেতরের একটা পথ বেয়ে শিয়া মসজিদের মোড় পেরিয়ে মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড মোড় পার হয়ে মোহাম্মদপুর থানা পেরিয়ে লালমাটিয়া এলাকায় ঢুকে পড়লাম। নব্বইয়ে মোহাম্মদপুর থানা এখানে ছিল না। আমি যেখানে থাকি সে এলাকাও তখন মোহাম্মদপুর থানাতেই ছিল, এখন আদাবর থানায়। মোহাম্মদপুর থানা তখন ছিল ঢাকা রেসিডেনশিয়াল কলেজের দক্ষিণ পাশে। থানার মানচিত্র নব্বইয়ের পরে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। স্মৃতি পরিবর্তন করে দেওয়ার বড় কায়দা নাকি মানচিত্র বদল করে দেওয়া। চেনা নামগুলোকে অচেনা করে দেওয়া। রেড ইন্ডিয়ানদের মানচিত্রও ইউরোপীয়দের বিশেষ করে ইঙ্গ-মার্কিনিদের কল্যাণে বদলে গিয়েছিল। একসময় নিউ ইয়র্কের নাম ছিল নিউ আমস্টারডাম, আর তার আগে ছিল কোনো রেড ইন্ডিয়ান গোত্রের রাখা নামে। উপনিবেশায়নের এটা একটা কার্যকর স্মৃতি ভুলানিয়া পদ্ধতি। এটা কেবল উপনিবেশায়নের কারণেই যে হয় তা নয়। আরও কিছু কারণে স্মৃতিবিদারক এমন কান্ড ঘটে। নিজের পরিচয় কোনো অজানা কারণে ভুলে থাকার প্রণোদনা বা প্ররোচনা থেকে কোনো জনগোষ্ঠী এমনটা করে।

বাংলাদেশ নামের ভূখন্ডেও এমনটা হয়েছে; এরশাদের সময়েই একপক্ষ নাম বদলের জিকির তুলেছিল। দুর্ভাগ্য! এখনো ওঠে। চাওয়া হয়েছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া হয়ে যাক ইমামবাড়িয়া, নারায়ণগঞ্জ হয়ে যাক রহমানগঞ্জ, জয়দেবপুর হয়ে যাক গাজীপুর ইত্যাদি ইত্যাদি। আর কালীগঞ্জ নামের জায়গাগুলোর নাম কালাবিবির হাট হয়ে গেলে দারুণ হয়! যেন ভূতের রাজার জবর জবর তিন তিরিক্কে তিরিশ বর পাওয়া যাবে। এরশাদের সামরিক শাসনামলে নাম বদলের দ্বিতীয় হিড়িক পড়েছিল। গাজীপুর-জয়দেবপুরে একটা ঘেঁটে যাওয়া পরিস্থিতি তৈরি হলো। মহকুমা হিসেবে জায়গাটির নাম ছিল জয়দেবপুর। জেলা করার সময় নাম হলো গাজীপুর, যদিও রেলস্টেশনটি পুরনো জয়দেবপুর নামেই থাকল; চৌরাস্তার নামটিও। গাজীকালুচম্পবতী উপাখ্যানের ‘গাজী’ উচ্চবর্গে ঠাঁই পেল আর ‘কালু’ এবং ‘চম্পা’ সাবল্টার্ন অর্থাৎ নিম্নবর্গই রয়ে গেল। নামবদলে শ্রেণিচৈতন্যেরও ঊর্ধ্বাবর্তন-অধঃবর্তন ঘটে, তবে অধিপতি শ্রেণির ইচ্ছায়। যেমন- রামচন্দ্রপুর পাকিস্তান আমলে মোহাম্মদপুর হয়ে গেছে, যার ওপর দিয়ে এলাম। সে রকম নওয়াবগঞ্জের সঙ্গে থাকা চাঁপাই নামটি অস্পৃশ্যতার যুক্তিতে একসময় বাদ পড়েছিল। কালীগঞ্জ, শিবগঞ্জ নামগুলো যে টিকে আছে তার কারণ আমাদের স্মৃতি সামষ্টিক, যা গোষ্ঠীবিশেষের ভুলভুলাইয়ায় চড়া লেড়বেড়ে স্মৃতির চেয়ে প্রবল। সে কারণেই বাঙালি বারবার বিপদে পড়েও বেঁচে যায়; উদাহরণ একাত্তর। সামষ্টিক স্মৃতিই বাঙালির প্রাণ।

মোহাম্মদপুরের মৌজা নামটি এখনো রামচন্দ্রপুরই আছে। তার ওপর দিয়ে ধানমন্ডি এলাকায় ঢুকে গিয়ে সম্ভবত দুই মৌজার সীমান্ত বরাবর অর্থাৎ আধুনিককালের ধানমন্ডি ২৭ নম্বর ধরে রিকশাচালককে এগোতে বললাম। ২৫ নম্বর মোড়ে পৌঁছানোর আগেই টিয়ারশেল ছোড়ার শব্দ পেয়ে রিকশাচালক কিছু বুঝে ওঠার আগেই রিকশার চাকা ঘুরিয়ে সাতমসজিদ রোড ধরে বলল, এখান দিয়ে যাওয়া যাবে না; গোলাগুলি চলছে। কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরকার-সমর্থকদের সংঘর্ষ; পুলিশ টিয়ারশেল মারছে, কার উদ্দেশ্যে ঠিক বোঝা গেল না। কোটা আন্দোলন ক্রমশ আন্দোলনকারীদের হাত ফসকে যাচ্ছে। অন্য কোনো পক্ষ সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে। সব আন্দোলনেই একটা ‘অন্যপক্ষ’ থাকে, আর আমাদের মতো দুর্বল স্নায়বিক কাঠামোর এবং তারও চেয়ে দুর্বল মতাদর্শিক কাঠামোর রাষ্ট্রব্যবস্থায় অন্যপক্ষের সুযোগ নেওয়া সহজ, উপায়টি যদিও স্বচ্ছ নয়। ‘অন্যপক্ষ’টি দেশি বা বিদেশি হতে পারে, দেশি-বিদেশি যৌথসত্তাও হতে পারে এবং অন্যপক্ষটি গিরগিটির মতো, পরিবেশ বুঝে রঙ পাল্টাতে পারে। আমরা আধুনিক ও উন্নত রাষ্ট্র হওয়ার পথে পা বাড়িয়েছি অথচ আমরা একদা বিশ্বের সম্পদশালী রাষ্ট্র থেকে তৃতীয় বিশ্বের অবহেলিত এক জাতি এবং বিগত ঐশ্বর্যের মোহে অপবিশ্বাসের গলিপথে হারিয়ে যাওয়া সত্তা। তাই আমাদের জিল্লতির অন্ত নেই। জাতীয় সংহতির প্রশ্নে প্রাগৈতিহাসিক সুরাসুর দ্বন্দ্বই আমাদের তৃতীয় বিশ্ব নামের নিগড়ে আটকে থাকার কারণ। ফলে যে সমস্যার সমাধান দুদিন আগেই করা সম্ভব তাকে আমরা টেনে নিয়ে যাই অনাগত কালের দিকে। আমরা ‘কালের মহিমায়’ আটকে-লটকে থাকা এক জাতি।

সাতাশ নম্বরের পেছনের (উত্তর পাশে) গলিটা লালমাটিয়া এবং ধানমন্ডির সীমানা গলি, তার পাশেই আমার মামার বাসা ছিল ’৯২-৯৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত। নব্বইয়ে ছিল আরেকটা গলি আগে, লালমাটিয়া পানির ট্যাঙ্কির দক্ষিণ পাশে; তার আগে ছিল আরও এক গলি আগে, পানির ট্যাঙ্কির পশ্চিম পাশে। পানির ট্যাঙ্কির পশ্চিম, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে কেটেছে ২৬ বছর। নব্বইয়ের শেষের দিকে এরশাদের শাসনামলের অন্তিমপর্বে আবার বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া হলো। তারপর কলেজগুলো, এরপর সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। অবশ্য তখন এরশাদের হুকুমদারি ছিল নস্যিতুল্য। প্রতিদিনই রাস্তায়-রাস্তায়, ক্যাম্পাসে-ক্যাম্পাসে মিছিল হতো। দিনের বেলায় লালমাটিয়া থেকে হেঁটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চলে যেতাম, প্রায়ই নীলক্ষেত দিয়ে, কখনো এলিফ্যান্ট রোড হয়ে সূর্যসেন হলের পাশ দিয়ে। সারা দিন মিছিল করে সন্ধ্যায় আবার মামার বাসায়। একদিন কারফিউ জারি করা হলো। যদিও তা খুব কম মানা হতো। ঢাকার রাস্তায়-রাস্তায় বিশেষ করে মোড়গুলোতে এবং গলিমুখগুলোতে চোরাগুপ্তা কায়দায় মিছিল হতো, পুলিশের ওপর হামলা চলত। ঢাকার বাইরেও একই অবস্থা। ক্যাম্পাস থেকে পুরো বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে দিনের বেলায় বাসা থেকে বেরুতাম না। তবে সন্ধ্যা হলেই চাদর মুড়ি দিয়ে গলিপথ ধরে নিউ কলোনির আলো-অন্ধকার মাঠ পার হয়ে একটা বাসায় যেতাম। ওই বাসায় সানি নামে আমার এক ছাত্র ছিল; ইন্টারমিডিয়েটের। বাসার মালিক ছিলেন লালমাটিয়া গার্লস হাইস্কুলের হেডমিস্ট্রেস আর ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে একসময় কাজ করা এক সিলেটি ভদ্রলোক। নাম লুৎফর রহমান। তিনি আওয়ামী লীগমনস্ক ছিলেন, কিন্তু পাঁড় আওয়ামী লীগার ছিলেন না; বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তার যোগাযোগের কথা তার গল্প শুনে বোঝা যেত। ভীষণ আলাপি লোক। গল্প জুড়লে থামতে চাইতেন না। আলাপ থামত তার স্ত্রীর হস্তক্ষেপে। সে বাসায় প্রায়ই খেয়ে আসতে হতো। ওই বাসায় যাওয়ার কারণ ছাত্র পড়ানো, আর কারফিউ জারি থাকার মধ্যে যাওয়ার বিশেষ কারণ বিবিসি রেডিও শোনা। ক্যাম্পাসে না গিয়েও সারা দিনের সারকথা বুঝতে পারতাম বিবিসি শুনে। বিটিভির খবরে তখনো কারও আস্থা ছিল না। কারফিউয়ে একটা ভয় অবশ্য কাজ করত।

সাতাশ নম্বর পার হয়ে আবাহনী ক্লাব মাঠের উত্তর পাশ দিয়ে ধানমন্ডি ব্রিজ পার হয়ে বত্রিশ নম্বর রোড হয়ে ৩১ নম্বর (পুরনো) দিয়ে নিউমার্কেট অ্যাভিনিউতে উঠে রাসেল স্কয়ার দিয়ে পান্থপথ বরাবর কারওয়ানবাজারের প্রজাপতি মোড় হয়ে কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউতে (পুরনো ময়মনসিংহ রোড) উপস্থিত হলাম। তারপর বাংলা মোটরে রূপায়ণ টাওয়ারে, দেশ রূপান্তর অফিসে। মঙ্গলবারে (১৬ জুলাই) কোটা আন্দোলনে ৬ জন নিহত হয়েছিল। আজ (১৮ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত কত তা জানি; সঠিক তথ্য আগামীকালের পত্রিকায় জানা যাবে। রাত পৌনে ১০টার দিকে অফিস থেকে বেরিয়ে একটা অটো জোগাড় করে জুবেরী ও বিপুলসহ আমরা তিন সহকর্মী চেপে বসলাম। আবারও পান্থপথ হয়ে ২৭ নম্বর দিয়েই ঢুকলাম। দিনে পূর্বপ্রান্ত পেরুতে পারিনি, রাতে পশ্চিমপ্রান্ত পেরুতে পারলাম না। আবারও ঘুরপথে। চার-পাঁচ দিন ধরেই এ রকম অবস্থার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। ভোগান্তির শুরু আরও দিন পনেরো আগে। কখনো বাসে, কোনো দিন রিকশায় বাসায় ফিরতে হয়। দুর্নীতি, মূল্যস্ফীতি মানুষকে সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ করে রেখেছে। অহেতু প্রচুর প্রাণক্ষয় হলো। না হলেই ভালো হতো। এখন আমাদের ত্রাণ করবে কে! আজ কেন জানি মেমোরি লেইনে আটকে আছি।...

লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত