শিক্ষার্থীদের এক দফা দাবিতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে জয়পুরহাট শহর। এ সময় সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন মেহেদী হাসান নামে এক শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় জয়পুরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. সামসুল আলম দুদুসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, আন্দোলনকারী ও সাংবাদিকসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আন্দোলনকারীরা জেলা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ অফিসে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের টিয়ারশেল, সাউন্ডগ্র্যানেড ও গুলি ছুঁড়ে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে।
জানা গেছে, রবিবার বেলা ১১টায় বিভিন্ন স্থান থেকে মিছিল নিয়ে শহরের জিরো পয়েন্টে আসেন আন্দোলনকারীরা। এরপর সেখানে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন তারা। এ সময় আন্দোলনকারীদের একটি অংশ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়। ওই সময় অফিসে থাকা স্থানীয় সংসদ সদস্য সামছুল আলম দুদুসহ আওয়ামী লীগের অন্তত ২০ জন আহত হয়। এরপর আগুন দেওয়া হয় ছাত্রলীগ অফিসে, ভাঙচুর করা হয় শ্রমিক লীগ অফিস।
এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ডগ্রেনেড ছুঁড়ে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করলে আহত হন আন্দোলনকারী ও পথচারীসহ আরও ৩০ জন। আহত সবাইকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে আহত একজনকে বগুড়া নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয়। এছাড়াও শহরের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে কয়েকটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ ও সদর উপজেলা চত্বরে দুইটি সাংবাদিকের প্রাইভেটকারে অগ্নিসংযোগ করা হয়।
পাবনায় আ.লীগ-শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে নিহত ৩, গুলিবিদ্ধ ৩৪