আগামী ২৫ বছরের মধ্যে বিশ্বের ৪০ শতাংশ চাকরি নিয়ন্ত্রণ করবে স্বয়ংক্রিয় রোবট। এমন অনেকগুলো পেশা আছে যা পুরোপুরি বিলুপ্ত হতে পারে।
ওয়্যারহাউজ কর্মী : ওয়্যারহাউজে ২৪ ঘণ্টা কাজ করতে পারবে এমন রোবট নিয়োগ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান। এর ফলে এখানে মানবকর্মীর সংখ্যা কমে যাচ্ছে। কাজের ধরনেও অনেক পরিবর্তন আসছে।
রাইড-শেয়ার ড্রাইভার : স্বয়ংক্রিয় গাড়ি ড্রাইভ করতে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এটা আরও বাড়বে। এছাড়া, কাকে পিক আপ এবং ড্রপ অফ করা দরকার তা শনাক্ত করতে প্রয়োজনীয় অ্যাপ ব্যবহার শুরু হবে ভবিষ্যতে। এ কারণে উন্নত দেশগুলোতে মানব ড্রাইভারের চাহিদা দিন দিন কমবে।
প্রাইসিং অ্যানালিস্ট : এআই অ্যালগরিদম-এর মাধ্যমে প্রাইসিং অ্যানালিস্টের কাজ করা যাচ্ছে। এআই-তে মেশিন লার্নিং থাকবে যাতে পণ্যের খরচ এবং বাজারের ট্রেন্ড বের করতে পারে। প্রাইসিং অ্যানালিস্টরা এক্সেল শিটের মাধ্যমে ম্যানুয়ালি এই কাজটি যারা করছেন ভবিষ্যতে তাদের আর প্রয়োজন হবে না।
গাড়ির মেকানিক : টেসলার স্বয়ংক্রিয় গাড়ির মতো ভবিষ্যতে মেকানিকদের কাজ হবে কম্পিউটার বিজ্ঞানীদের মতো। গাড়িতে কাজ করার চেয়ে কম্পিউটারে বসে কাজ করতে হবে তাদের। ফলে সক্রিয় অটো মেকানিকদের গাড়ি ঠিক করতে দরকার হবে না।
ফাস্টফুড ও রেস্টুরেন্ট সার্ভার : ইতিমধ্যেই জাপানে মানুষের চেহারা ধারণকারী রোবটরা রেস্টুরেন্টে অর্ডার নেওয়ার কাজ করে এবং রেস্টুরেন্টে খাবার সরবরাহ করে। এছাড়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে অর্ডার লিস্ট নিচ্ছে। ভবিষ্যতে হয়তো রেস্টুরেন্টে রান্নার কাজ করবে কোনো মানুষ, কিন্তু সার্ভ টেবিল পর্যন্ত পৌঁছে দেবে মানুষের চেহারা ধারণকারী কোনো রোবট। ফলে সার্ভারদের দরকার হবে না।
লাইব্রেরিয়ান : ই-বুক রিডার ও অডিওবুক পাঠকের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। ভবিষ্যতে হয়তো লাইব্রেরি থেকে বই নিতে গেলেও আর লাইব্রেরিয়ানের প্রয়োজন পড়বে না। কারণ একজন লাইব্রেরিয়ান যে কাজটি করেন তা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার রোবট দিয়ে সহজেই করা সম্ভব হবে।
অনুবাদক : অনলাইনের অনুবাদক ওয়েবসাইটগুলো কথোপকথন শোনা, অনুবাদ করা, এবং এক ভাষা থেকে আরেক ভাষায় অদলবদল করতে সক্ষম। ফলে এক ভাষা থেকে অন্যভাষায় অনুবাদ করতে এখন আর আলাদা করে অনুবাদকের দরকার হবে না।
