এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীর প্রভাবে সিন্ডিকেটে বন্যাদুর্গত এলাকায় প্রয়োজনীয় সব খাদ্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। প্রয়োজনীয় শুকনো খাবারের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে চিড়া, মুড়ি ও গুড়ের। এ ছাড়াও দাম বেড়েছে মোমবাতিসহ আনুষঙ্গিক পণ্যের। ১০ টাকার মোমবাতি কিনতে হচ্ছে ১০০ টাকায়, ১৩০০ টাকার গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে ২৫০০-২৬০০ টাকায়।
জেলার বিভিন্ন এলাকা পানির নিচে তলিয়ে থাকায় এখন বিপুল পরিমাণ শুকনো খাবারের প্রয়োজন। এ অবস্থায় বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণের জন্য অনেক ব্যক্তি ও সংস্থা শুকনো খাবার কিনছে। আর এ সুযোগে চিড়া, গুড় ও মুড়ির দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। চাহিদার তুলনায় যোগান কমের কারণে নয়, বরং বন্যার সুযোগে উৎপাদন ও সরবরাহকারী পর্যায়েই দাম বাড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।
ফেনী শহরের আবির স্টোরের মালিক মো. আমির হোসেন বলেন, গাড়িভাড়া ২-৩ গুণ বেড়ে যাওয়ায়
পণ্য পরিবহনের খরচ বেড়েছে। এ ছাড়াও দাম বাড়িয়েছে আড়তের সিন্ডিকেট।
ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার বগাদানার বাসিন্দা শরীফ উল্লাহ বলেন, বাজারে চাহিদামত জিনিসপত্র নেই। যা পাচ্ছি তা দ্বিগুণ দামে কিনতে হচেছ। বিদ্যুৎ না থাকায় ১০ টাকার মোমবাতি ১০০ টাকা টাকায় পাওয়া যাচ্ছে না।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ফেনীর কার্যালয়ের উপপরিচালক মো.কাউছার বলেন,‘বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমাদের মনিটরিং চলছে। যাতায়াত খরচ বেড়ে যাওয়ায় দাম কিছুটা বেড়েছে। আমরা পাইকারি বাজারে ব্যবসায়ীদের বলছি দাম সহনশীল রাখতে, যাতে সরবরাহ স্বাভাবিক রেখে বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা যায়।’
দুরভের আটকের মেয়াদ বাড়ালো ফরাসি আদালত