গুমবিরোধী সনদের স্বাক্ষরিত অনুলিপি জাতিসংঘে হস্তান্তর

আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৩:১৭ এএম

ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন ফর প্রটেকশন অব অল পারসনস ফ্রম এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্সে (আইসিপিপিইডি) প্রবেশাধিকারের দলিল আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি সব বহুপাক্ষিক চুক্তির আমানতকারী।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ এ মুহিত ট্রিটি সেকশন প্রধান ডেভিড কে ন্যানোপোলোসের কাছে দলিলটির অনুলিপি হস্তান্তর করেন। গত শুক্রবার তিনি মহাসচিবের পক্ষে অনুলিপিটি গ্রহণ করেন।

গতকাল শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

হস্তান্তর অনুষ্ঠানে মুহিত বলেন, ‘অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আমাদের জনগণের সব মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা সমুন্নত রাখতে গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের প্রতিশ্রুতি যথাযথভাবে প্রমাণিত হয় যে, সরকার গঠনের ২০ দিনের মধ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ মানবাধিকার চুক্তিতে যোগদানের জন্য সব অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে।’ স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, দলিলটি একটি বিশেষ দিনে জমা দেওয়া হয়েছে। বিশ^ব্যাপী দিনটি আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

মুহিত বলেন, ‘আমাদের আজকের এই পদক্ষেপটি অগণিত ভুক্তভোগীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে, যারা এ ধরনের জঘন্য অপরাধের শিকার হয়েছেন।’

ন্যানোপোলোস এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানান এবং বহুপাক্ষিক চুক্তির কাঠামোর প্রতি বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতির প্রশংসা করেন। তিনি জানান যে, জাতিসংঘ অবিলম্বে এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স থেকে সব ব্যক্তির সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক কনভেনশনে বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়ে সব প্রয়োজনীয় বিজ্ঞপ্তি জারি করবে।

গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদের দলিল হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আইসিপিপিইডির ৭৬তম পক্ষ হওয়ার জন্য সব আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষ করল।

কনভেনশনের বিধান অনুসারে, এটি বাংলাদেশের জন্য দলিল জমা দেওয়ার তারিখের ৩০তম দিনে ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ থেকে কার্যকর হবে।

গত বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের গুম ও নির্যাতনবিরোধী আন্তর্জাতিক কনভেনশনে সই করেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত