ফেনীর সীমান্তবর্তী উপজেলা পরশুরামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার করেছেন একদল স্থানীয় গ্রামবাসী। ভয়াবহ বন্যায় ফেনীর বিভিন্ন গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রেও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ভাঙনের কবলে অনেক সড়কে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার পরশুরাম ও মির্জানগর ইউনিয়নের পশ্চিম সাহেবনগর সড়ক বন্যায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মঙ্গলবার সকালের দিকে রাস্তা সংস্কারের জন্য মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে পশ্চিম সাহেবনগর, পূর্ব সাহেবনগর, মনিপুরসহ একাধিক এলাকার ছাত্র, যুবক ও গ্রামবাসী বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামতে নেমে পড়েন।
সাহেবনগর গ্রামের বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম বলেন, বন্যায় পিচঢালা রাস্তা ভেঙে নাজেহাল হয়ে যায়। গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে রাস্তা মেরামত করে জনসাধারণের চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে। বুধবার দুপুর থেকে মির্জানগর ইউনিয়নের দশটি গ্রামের সঙ্গে উপজেলা সদরে যান চলাচল শুরু হয়।
স্থানীয় আবু তাহের বলেন, বন্যার পানি শুকিয়ে গেলেও এসব সড়ক দিয়ে যান চলাচল দূরের কথা, হেঁটেও চলাচল করা সম্ভব ছিল না। এজন্য উদ্যোগ নিয়ে এলাকার মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা মেরামত করা হয়েছে।
একইসঙ্গে বন্যায় ভেঙে পড়া উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের জয়চাঁদপুর-সত্যনগর সড়কের প্রায় ৩০ ফুট রাস্তায় স্বেচ্ছাশ্রমে একটি সাঁকো তৈরি করে যাতায়াত ব্যবস্থা সচল করেন স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তারুণ্যের আলো ফাউন্ডেশনের সদস্যরা।
জানতে চাইলে পরশুরাম উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম শাহআলম ভূঞা বলেন, গ্রামবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে ভাঙা রাস্তা মেরামত করে দিয়েছেন। এ সপ্তাহের মধ্যে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সবগুলো সড়ক সংস্কারের কাজ শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ১১
ডিম-মুরগির দাম কমার বিষয়ে যা বললেন বাণিজ্য উপদেষ্টা