নদ-নদী-খাল পুনরুদ্ধার ও নদীর সীমানা নির্ধারণ প্রয়োজন: জনি

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৭:৫৫ পিএম

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুল লতিফ জনি বলেছেন, ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পদক্ষেপ খাল খনন প্রকল্প ও নদী খনন প্রকল্প অব্যাহত থাকলে আজ বাংলাদেশের নদীগুলো সচল থাকত। তাহলে প্রতিবছর বন্যার তীব্রতা থেকে এ দেশের মানুষ রক্ষা পেত।’

আজ বুধবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর রুনি মিলনায়তনে ফেনীর বন্যা পরিস্থিতি ও ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় বন্যা পরিস্থিতি থেকে দেশকে বাঁচাতে আবারো জিয়ার খাল খনন প্রকল্প ও নদী খনন প্রকল্প চালু করার দাবি জানিয়ে জনি বলেন, ৫০ বছর পূর্বের জাতীয় ভূমি নকশা অনুসারে বাংলাদেশের প্রতিটি নদ-নদী-খাল পুনরুদ্ধার ও নদীর সীমানা নির্ধারণ করা দরকার।

বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশনা দেওয়ার জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি দেশের পূর্বাঞ্চলে ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা হয়। এ সময় তারেক রহমানের বিশেষ নির্দেশনায় দলের প্রতিটি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন প্রতিটি জেলা থেকে পর্যাপ্ত ত্রাণ ও ওষুধ সামগ্রী নিয়ে বন্যায় সহায় সম্বলহীন মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়রম্যানের নির্দেশনায় বানভাসি এলাকার দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের যে উপকার হয়েছে তাহা ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষীপুরবাসী আজীবন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।’

তিনি বলেন, ‘আমিফেনী জেলার একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে এবারের বন্যা নিজ চোখে দেখেছি- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থার কারণে লাখ লাখ মানুষ নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরবাসী- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর এমন কর্মকাণ্ডকে কখনো ভুলতে পারবে না।’

এ সময় জনি বলেন, ‘স্রোতস্বিনী নদীগুলো ভরাট করে নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। এর কারণে জাতি কতটুকু উপকৃত হয়েছে? কিভাবে বাংলাদেশের মানুষের ক্ষতি হয়েছে? তা তদন্ত করা হোক। নদী হত্যাকারী পাহাড় ধ্বংসকারী, বনাঞ্চল দখলকারী ও ইটভাটা করে পরিবেশ নষ্টকারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হোক। শুধু তদন্ত নয়, উপদেষ্টামণ্ডলীর কাছে আকুল আবেদন, ঐ সমস্ত দখলকারী ও তাদের দোষরদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সাথে গত ৫০ বছর পূর্বের জাতীয় ভূমি নকশা অনুসারে বাংলাদেশের প্রতিটি নদ-নদী খাল পুনরুদ্ধার ও নদীর সীমানা নির্ধারণ করা হোক।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত