ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে অরুন মিয়া নামের এক বৃদ্ধকে হত্যার পর ৯ টুকরা করে মরদেহ লুকিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রী-কন্যার বিরুদ্ধে। বুধবার (২ অক্টোবর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ইকবাল হোছাইন।
মঙ্গলবার (২ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে ফরদাবাদ গ্রাম থেকে লাশের খন্ডিত অংশ উদ্ধার করে থানা পুলিশ। এই ঘটনায় স্ত্রী মোমেনা বেগম (৫০) ও তার কন্যা লাকি আক্তারকে (২৭) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সুপার জানান, গত শুক্রবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিলেন অরুন মিয়া। হত্যার চার দিন পর মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে ফরদাবাদ গ্রাম থেকে লাশের খন্ডিত অংশ উদ্ধার করে থানা পুলিশ। এই ঘটনায় ঘাতক স্ত্রী মোমেনা বেগম ও মেয়ে লাকী আক্তারকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত অরুন মিয়া ফরদাবাদ গ্রামের মৃত সুরুজ বেপারীর ছেলে ছিলেন। এই ঘটনায় নিহতের প্রথম স্ত্রীর ছেলে লুৎফর রহমান রুবেল বাদী হয়ে সৎ মা মোমেনা বেগম ও সৎ বোন লাকি আক্তারকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
ইকবাল হোছাইন জানান, পারিবারিক নানান বিষয় নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রী মোমেনা বেগমের সাথে অরুণ মিয়ার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তাকে মাথায় শাবল দিয়ে আঘাত করলে অরুন মিয়ার মৃত্যু হয়। পরে মোমেনা তার মেয়ে লাকিকে সাথে নিয়ে টাকশাল দিয়ে লাশ নয় টুকরো করে ১১টি পলিথিনে বেদে পার্শ্ববর্তী মনির মিয়ার সেফটিক ট্যাংকে ফেলে দেয়। মঙ্গলবার রাতে এলাকাবাসী সেফটিক ট্যাংক থেকে গন্ধ বের হওয়ায় তারা পলিথিনগুলো দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ নয়টি পলিথিন ইট মোরানো অবস্থায় উদ্ধার করে। নিহতের ছেলে শনাক্ত করে এটা অরুন মিয়ার লাশ। এই ঘটনায় তার দ্বিতীয় স্ত্রী মোমেনা বেগম তার মেয়ে লাকিকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়নাল আবেদীন ও বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন সহ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দেশ ছাড়তে চাইনি বলেই বলিউডে স্থায়ী হইনি: জেমস
লাল তালিকামুক্ত হলো পাকিস্তানি পণ্য
১০ টাকা চাওয়া নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩০