বিএনপি কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদ্য সাবেক সদস্য সচিব জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক বলেছেন, গত ১৫ বছর যাবৎ দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি, জনগণ তার বহুল প্রত্যাশিত সেই ভোটের জন্য অপেক্ষা করছে।
মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর রূপনগরে ঢাকা মহানগর উত্তর রূপনগর থানা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশের মানুষের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে প্রত্যাশা, দেশে একটা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন করা। যে নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষগুলো তাদের বহুল প্রত্যাশিত ভোট দিবে, জনগণের ভোটে দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা হবে। ঠিক তখনই আমরা দেশে একটা নির্বাচিত জনগণের সরকার দেখতে পাবো।
স্বৈরাচার শেখ হাসিনা জনগণের ভয়ে নিজেই পালিয়ে গেছেন উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, তার (হাসিনা) যারা আজ্ঞাবহ যারা আগেই টের পেয়ে গেছেন যে শেখ হাসিনা তো বাংলাদেশে থাকবে না; তারা কিন্তু তার সাথে ভাইগা গেছে। আর যারা বুঝতে পারেনি যে হাসিনা ভাইগা যাবে, তারা কিন্তু ঠিকই আটকে গেছে। এই আটকে পড়া আওয়ামী প্রেতাত্মারা এখন দেশের বিভিন্ন জায়গায় লুকিয়ে বেড়াচ্ছে, আবার তারা আস্তে আস্তে বের হচ্ছে। সবাইকে পাওয়া যাবে, কেউ রেহাই পাবে না।
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে হত্যাকারীদের বিচার করা ছাড়া শহীদদের আত্মা শান্তি পাবে না উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, শহীদদের আত্মা সেদিনই শান্তি পাবে যেদিন হত্যাকারীদের বিচার হবে। বিএনপি সব হত্যার বিচার চায়।
রক্তদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক সদস্য মাহাবুব আলম মন্টু, রূপনগর থানা বিএনপির আহ্বায়ক জহিরুল হক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার মজিবুল হক, যুগ্ম আহ্বায়ক অলিউল হাসানাত তুহিন, পল্লবী থানা যুবদলের সভাপতি হাজী নূর সালাম, রূপনগর থানা ছাত্রদলের সভাপতি মনিরুজ্জামান রনি, সাধারণ সম্পাদক কাউছার মল্লিক, পল্লবী থানা ছাত্রদলের সভাপতি জুয়েল খন্দকার, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি শফিকুর রহমান মামুন, সিনিয়র সহসভাপতি ইমরান মুন্সি, সাধারণ সম্পাদক খোকন, পল্লবী থানা ছাত্রদল নেতা ইকবাল হোসেন সোহেল, ছাত্রদল নেতা শেখ মেহেদী হাসান, ৬নং ওয়ার্ড যুবদল আহ্বায়ক কাউসার আহমেদ মোল্লা, রূপনগর থানা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন সাগর, রুপনগর থানা ছাত্রদলের সহসভাপতি আবুল কাশেম প্রমুখ।
