দুর্নীতি প্রতিরোধে ‘স্বার্থের সংঘাত আইন’ প্রণয়নের পরামর্শ টিআইবির

আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০২৪, ০৮:০৫ পিএম

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, সড়ক ও মহাসড়ক প্রকল্পে দুর্নীতি ঠেকাতে রাজনীতিবিদ, আন্তঃসম্পর্কিত আমলা এবং ঠিকাদারদের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় সিন্ডিকেশন প্রতিরোধ করতে হবে। সড়ক ও মহাসড়ক খাতে রাজনীতিবিদ, সংশ্লিষ্ট আমলা ও ঠিকাদারদের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় সিন্ডিকেশনের মাধ্যমে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের নীতি প্রণয়ন, সরকারি ক্রয় পদ্ধতি এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা হয়ে আসছে। এই ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতা বন্ধ করতে হবে।

আজ বুধবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। এর আগে ‘সড়ক ও মহাসড়ক প্রকল্প বাস্তবায়নে সুশাসনের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

টিআইবি প্রধান বলেন, দেশে দীর্ঘদিন ধরে ত্রিপক্ষীয় যোগসাজশে সড়ক-মহাসড়ক প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে, যা রাজনীতিবিদ, কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে নির্মিত কাঠামো নিম্নমানের ও অনুপযুক্ত হওয়া ছাড়াও, একদিকে যেমন প্রকল্পের উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়, অন্যদিকে জাতীয় সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি এবং অপব্যবহারের ফলে উন্নয়ন কাজের ব্যয়ও বাড়তে থাকে।

ইফতেখারুজ্জামান সরকারি সকল কাজে ব্যক্তিগত লাভ, স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতি প্রতিরোধে ‘স্বার্থের সংঘাত আইন’ প্রণয়নের পরামর্শ দেন। এই আইনে সড়ক ও মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের সাথে সম্পর্কিত নিয়ম ও প্রবিধানে প্রতিফলিত হওয়া উচিত বলেও মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, রাজনীতিবিদ, সংশ্লিষ্ট আমলা ও ঠিকাদারদের ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতায় স্বার্থের সংঘাত দেখা দিলে তারা দুর্নীতিতে লিপ্ত হয়।

অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত রাজনীতিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার সুপারিশ করেন ইফতেখারুজ্জামান।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত