বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘আলাদা কোনো আন্দোলন নয়, দীর্ঘ লড়াইয়ের ফলে দেশ দ্বিতীয়বার স্বাধীন হয়েছে। ফ্যাসিবাদের পতন হলেও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা যায়নি। এ কাজ চলমান। সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে হবে এ কাজ। কারণ জনগণ চায় একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা। ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে সবচেয়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।’
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে শহীদ নাজির উদ্দিন জেহাদের ৩৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে ৯০’র ডাকসু ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য আয়োজিত স্মরণসভায় নজরুল এ কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম বলেন, ‘শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলেও ষড়যন্ত্র থেমে নেই। তার দোসররা বিভিন্ন জায়গায় থেকে বিভক্তির চেষ্টা করছে। শহীদদের রক্ত যাতে বৃথা না যায় সেদিকে সজাগ থাকতে হবে। গুজব-বিভ্রান্তিতে কান না দিয়ে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। পূজা উপলক্ষে নানা ষড়যন্ত্র করতে পারে একটি মহল। সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাই।’
স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘গণপরিষদ গঠন কিংবা সংবিধান পুনর্লিখন নয়। বর্তমান সংবিধানে কিছু সংশোধনী এনে নির্বাচন দিয়ে জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যেসব সংস্কার প্রয়োজন সেগুলো আগে করা দরকার। আশা করি, জনগণের মুক্তি এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয় এমন সংস্কারগুলো অন্তর্বর্তী সরকার দ্রুত করবে।’
তিনি বলেন, ‘সংবিধানে যা কিছুই থাকুক না কেন তা অকার্যকর। বর্তমান সরকারের সংস্কারের উদ্যোগ মানুষের মধ্যে নির্বাচনের আকাক্সক্ষা তৈরি হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টাকে বলেছি, নির্বাচনের রোডম্যাপ দিতে। একটা নির্বাচিত সরকার লাগবে।’
এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর খিলগাঁওয়ে গুম-খুন হওয়া শহীদ পরিবারের সদস্যদের উদ্যোগে সাবের হোসেন চৌধুরীর বিচারের দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নেতা সাবের হোসেন চৌধুরীর নির্দেশে ১১টি গুম-খুন হয়েছে। তিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জামিনে মুক্তি পান কীভাবে?’
